| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৮ – সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৮
পানি রূপান্তরের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার স্বস্থানে ফিরে আসাই পানিচক্র।
জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি ভূমিকা রাখলেও এর প্রধান কারণ মহাকর্ষ শক্তি।
মহাকর্ষ বলের প্রভাবে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে। তবে সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা বড় হলেও অধিক দূরত্বের কারণে পৃথিবীর উপর সূর্যের চেয়ে চন্দ্রের আকর্ষণ বেশি কাজ করে। আর পানি তরল হওয়ায় তার উপর চন্দ্রের আকর্ষণশক্তি বেশি কাজ করে। তবে মূলত পৃথিবীর কেন্দ্র ও পানির উপরিভাগে চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের 'খ' চিহ্নিত স্রোতটি উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত।
উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর আমেরিকার পূর্বাংশে এবং পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে বৃষ্টিপাত হয়। এতে কৃষিকার্যের সুবিধা হয়। এছাড়া উষ্ণ স্রোতের প্রভাবে শীত ও গ্রীষ্মের তাপের পার্থক্য কম থাকায় এরূপ সমভাবাপন্ন জলবায়ুতে শ্রমিকগণ কৃষিক্ষেত্রে এবং শিল্পকারখানায় অধিক সময় কাজ করতে পারে। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে উভয় অঞ্চলের বন্দরগুলো বার মাস বরফমুক্ত থাকে। এ স্রোতের পানিতে হিমশৈল না থাকায় উভয় অঞ্চলের মধ্যে সারা বছর জাহাজ চলাচল করে। পৃথিবীর মধ্যে এত বেশি পণ্যবাহী জাহাজ 'অন্য কোনো সমুদ্রপথে চলাচল করতে পারে না। এ স্রোতের অনুকূলে পণ্যবাহী জাহাজগুলো কম সময়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পারে।
সুতরাং বলা যায়, উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।