| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১১
টিস্যু কালচার প্রযুক্তির জনক হলো জার্মান উদ্ভিদ বিজ্ঞানী Gottlieb Haberlandt.।
কোনো DNA অণুর জিনোম সিকোয়েন্স উদ্ঘাটন পদ্ধতি হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং।
কোনো জীবের জিনোমস্থ DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে নিউক্লিওটাইডসমূহ (ATGC) কোন অনুক্রমে সজ্জিত আছে তা জানাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং বা DNA সিকোয়েন্সিং। কোনো জীবের জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন হলে তার বিভিন্ন জিনের অবস্থান ও কার্যকারিতা জানা সহজ হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে প্রদর্শিত প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি।
নিচে প্রযুক্তিটির সচিত্র বর্ণনা উপস্থাপন করা হলো-
১) প্রথমে কাঙ্ক্ষিত DNA বা টার্গেট DNA নির্বাচন করা হয়। ২)একটি বাহক নির্বাচন, যার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ডটি প্রতিস্থাপন করা যাবে। এক্ষেত্রে প্লাসমিড DNA কে ব্যবহার করা হয়।
৩) টার্গেট এবং বাহকের DNA অণুর নির্দিষ্ট স্থানে ছেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় রেস্ট্রিকশন এনজাইম নির্বাচন। উভয় ক্ষেত্রে একই এনজাইম ববহার করা হয়।
৪)ছেদনকৃত DNA খণ্ডসমূহ DNA লাইগেজ এনজাইম দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
৫) কাঙ্ক্ষিত DNA সহ বাহক DNA-এর অনুলিপনের জন্য একটি পোষক নির্বাচন যেমন- E.coli ।
৬) কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ড সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত রিকম্বিনেন্ট DNA -এর বহিঃপ্রকাশ মূল্যায়ন।
উদ্দীপকের চিত্রটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি তথা জীবপ্রযুক্তি।
কৃষি, স্বাস্থ্য, জ্বালানী, পরিবেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে জীবপ্রযুক্তির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সর্বজন স্বীকৃত।কিন্তু সাথে সাথে GMOs নিয়ে শঙ্কা রয়েছে যে মানবস্বাস্থ্য বা পরিবেশের উপর এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে।জীবপ্রযুক্তির বিকাশের সাথে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ঝুকিগুলো হলো-
১. এ প্রযুক্তিতে প্রায়ই অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিন ব্যবহার করা হয় যা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলে মানুষ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে।
২. ট্রান্সজেনিক জীবে অপ্রত্যাশিত প্রোটিন সৃষ্টি হয়ে তা অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করতে পারে।
৩. কিছু GM Food মানুষসহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী, বিশেষ করে শিশুদের ইস্ট্রোজেন লেভেল বৃদ্ধি করে স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করে।
৪. GM Food এর ব্যবহারে জীবদেহে বিষক্রিয়া,খাদ্য বৈচিত্র্য হ্রাস ও পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং বলা যায়, জীবপ্রযুক্তির অপরিসীম কল্যাণ সাধনের পেছনেও স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে।