A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – জনসংখ্যা, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — জনসংখ্যা🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নারীর প্রকৃত সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বা সামর্থকে প্রজননশীলতা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যখন মানুষ নিজ দেশের মধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় অভিগমন করে তখন তাকে অভ্যন্তরীণ অভিগমন বলে।।শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসায়-বাণিজ্য, চাকরি, কৃষিকাজ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা প্রভৃতি কারণে মানুষ দেশের অভ্যন্তরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করে। অভ্যন্তরীণ অভিগমনের অন্তর্ভুক্ত হলো- গ্রাম থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে শহরে, শহর থেকে গ্রামে, শহর থেকে শহরে অভিগমণ প্রভৃতি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানচিত্রে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো চট্টগ্রাম অঞ্চলকে বোঝানো হয়েছে যা ঘনত্বের ভিত্তিতে কম জন অধ্যষিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।নিচে 'ক' অঞ্চলেরজনসংখ্যারঘনত্বেরপ্রকৃতিব্যাখ্যাকরা হলো-

যে জনবসতি অঞ্চলে প্রতি বর্গ কি.মি. (১০০০ - ১৫০০) জন লোক বাস করে সে অঞ্চল কম জন অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য। বরিশাল, বরগুনা, ভোলা, শেরপুর, মুন্সিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, চট্টগ্রাম, বগুড়া প্রভৃতি এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ভূপ্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কারণে এসব অঞ্চলে জনবসতি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলটি পাহাড় ঘেরা থাকায় এ অঞ্চলে কম জনবসতির বসবাস। তবে বাণিজ্যিক এলাকা বলে চট্টগ্রাম শহরের জনসংখ্যা একটু বেশি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানচিত্রে 'ক' ও 'খ' হলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল। ঘনত্বের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কম জন অধ্যুষিত (প্রতি বর্গ কি.মি. ১০০০ - ১৫০০) এবং সিলেট বিরল জন অধ্যুষিত (প্রতি বর্গ কি.মি. ৫০০ - ১০০ জন) অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।নিচে 'ক'ও 'খ' অঞ্চলেরজনসংখ্যারঘনত্বেরভিন্নতারকারণব্যাখ্যাকর।

ভৌগোলিকভাবে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত কিছু পার্থক্য আছে। এ পার্থক্যের কারণে এ দুই অঞ্চলের জনসংখ্যা ঘনত্বের মধ্যে কিছুটা তারতম্য হয়।পর্বতময় অঞ্চল হওয়ার কারণে চট্টগ্রামের জনবসতি কিছুটা কম। কিন্তু প্রচুর শিল্প প্রতিষ্ঠান, সমুদ্রবন্দর, ব্যবসায় বাণিজ্যে উন্নত হওয়ায় এ অঞ্চলের জনবসতি সিলেটের চেয়ে বেশি। সিলেট অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু বসতি স্থাপনের জন্য তেমন অনুকূল নয়। অধিক বৃষ্টিপাত, অনুর্বর মৃত্তিকা, রাস্তাঘাট কম থাকায় অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কম শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকায় সিলেট অঞ্চলের বসতি চট্টগ্রাম থেকে অনেক কম। অন্যদিকে পর্বতময় অঞ্চল হলেও বৃহৎ সমুদ্র বন্দর ও প্রচুর শিল্প কারখানা থাকায় এ অঞ্চলে জনবসতি সিলেটের চেয়ে বেশি।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ভূপ্রকৃতি, আবহাওয়া, নদনদীর অবস্থান, মৃত্তিকা, ব্যবসায় বাণিজ্য, শিল্প কারখানা, রাস্তাঘাট, শিক্ষা ব্যবস্থা, চিকিৎসা, যেগাযোগ ব্যবস্থা প্রভৃতির পার্থক্যের কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের মধ্যে জনবসতির ঘনত্বের কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – জনসংখ্যা, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)”