A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — উদ্ভিদ প্রজনন🔢 সৃজনশীল নং ১০🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পার্থেনোজেনেসিস হচ্ছে নিয়েক ব্যতীত ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি তথা নতুন জীব সৃষ্টির পদ্ধতি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামেটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামেটের মিলন প্রক্রিয়াকে দ্বিনিষেক ক্রিয়া বলে। দ্বিনিষেক আবৃতবীজী উদ্ভিদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এ প্রক্রিয়ায় একটি পুংগ্যামেট ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয় এবং অপর একটি পুংগ্যামেট সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়; ফলে ডিম্বাণু জাইগোটে পরিণত হয় এবং ডিপ্লয়েড অবস্থা প্রাপ্ত হয় কিন্তু সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস ট্রিপ্লয়েড অবস্থা প্রাপ্ত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হলো কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজনন। যা জোড়কলম অর্থাৎ গ্রাফটিংকে বুঝানো হয়েছে। এতে সম্পূর্ণভাবে মাতৃগুণসম্পন্ন গাছ তৈরি করা যায়। নিচে জোড়কলম বা গ্রাফটিং প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-

যে প্রকার কৃত্রিম অঙ্গজ জনন পদ্ধতিতে একটি উদ্ভিদের (সিয়ন) একটি শাখা অপর একটি উদ্ভিদের শাখার (স্টক) সাথে যুক্ত করে প্রথম উদ্ভিদটির কলম সৃষ্টি করা হয় তাকে জোড়কলম বা গ্রাফটিং বলে। জোড়কলম পদ্ধতিতে দুটি উদ্ভিদের প্রয়োজন হয়। যে উদ্ভিদের কলম সৃষ্টি করা হয় সেটি উন্নত গুণসম্পন্ন হয়। একে সিয়ন বা পর শাখা বলে এবং যে উদ্ভিদটির সাহায্যে কলম সৃষ্টি করা হয় তাকে স্টক বলে। এরূপ কলম করা নতুন উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে সিয়নের উপর স্টকের উপর নয়। সিয়নকে ধরে রাখাই স্টকের কাজ উদাহরণস্বরূপ, আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, কুল প্রভৃতি ফল সৃষ্টিকারী উদ্ভিদ এবং চাঁপা, ম্যাগনোলিয়া প্রভৃতি ফুল ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'B' প্রক্রিয়াটি হলো কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়া হলো একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি, যা প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন নতুন উচ্চ ফলনশীল উদ্ভিদ সৃষ্টি করে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে মূলত এক বা একাধিক জিনগত বৈশিষ্ট্য ভিন্ন দুই বা ততোধিক উদ্ভিদের মধ্যে ক্রস ঘটিয়ে নতুন ভ্যারাইটি উদ্ভাবন করা যায়, যার মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয় অসংখ্য উন্নত ফলনশীল ফসল। উন্নত ফলনশীল প্রকরণগুলো অধিকাংশই আবার রোগ ও খরা প্রতিরোধক্ষম। প্রতিবছর পৃথিবীতে উন্নত ফলনশীল প্রকরণগুলোর কারণে লক্ষ লক্ষ টন ফসল উৎপাদন বেড়ে চলছে। একর প্রতি ফলন বাড়ছে বহুগুণ যা কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও পূর্বে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ফসল নষ্ট হয়ে যেত ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতো। আবার ফসলকে পোকামাকড় হতে রক্ষা করার জন্য লক্ষ লক্ষ ডলারের ওষুধ প্রয়োগ করতে হতো। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উদ্ভাবিত জাত বর্তমানে রোগ প্রতিরোধক্ষম হওয়ায় ওষুধ প্রয়োগের তেমন প্রয়োজন হয় না। এর ফলে খরচ কম হয়। অথচ ফসল বেশি পাওয়া যায়। উপরের আলোচনা থেকে প্রতিয়মান হয় যে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উন্নত উদ্ভিদ সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃত্রিম সংকরায়ন পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”