A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯০ কি.মি. ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক গঠন, গঠনকারী গ্যাসের অনুপাত প্রায় একই রকম থাকে বলে বায়ুমণ্ডলের এ অংশকে সমমণ্ডল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য যেসব গ্যাস ভূমিকা পালন করে তা হলো- কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, সিএফসি নাইট্রেসি অক্সাইড প্রভৃতি। বিভিন্ন প্রকার শিল্পকারখানায় কালো ধোঁয়া ও পণ্য উৎপাদন পরবর্তী বর্জ্য পানিতে মিশে এসব গ্যাস বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে কলকারখানা ও ইট ভাটার কালো ধোঁয়া ব্যাপকভাবে Co₂ গ্যাস বৃদ্ধি করে যা বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ।এছাড়া কারখানায় বর্জ্য পুকুর বা নদীর পানিতে মিশে মিথেন গ্যাস। উৎপন্ন করে। ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিসন থেকে সি এফ সি গ্যাস নিগর্মন হয়। এভাবে বিভিন্ন প্রকার শিল্প কারখানা ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রকৃতিতে বিষাক্ত গ্যাস ছেড়ে দিচ্ছে যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ঘ' চিহ্নিত স্তরটি হলো এক্সোস্ফিয়ার। নিচে এক্সোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো:

এক্সোস্ফিয়ার হলো বায়ুমন্ডলের চতুর্থ স্তর। এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কিমি, উর্ধ্ব থেকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত।অর্থাৎ  এক্সোস্ফিয়ারের সীমানা স্তর ভূপৃষ্ঠের ৬৪০ কিমি উর্ধ্ব থেকে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত।এই স্তরে সবসময় অণু পরমাণুগুলো উর্ধ্ব দিকে উত্থিত হয়, কখনও নিম্ন দিকে যায়না । এই স্তরে বায় অধিক পরিমাণে হলাকা হয়। এই  স্তরে বায়ু এতই বেশি হালকা যে বায়ুর অস্তিত্ব প্রায় বোঝাই যায় না।

এক্সোস্ফিয়ার স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° ১৬৫০° সে. পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে।তবে কখনও কখনও এর তাপমাত্রার ভিন্নতাও লক্ষ করা যায় । এ স্তরের ঘনত্ব অনেক কম। সূক্ষ্ম অণু-পরমাণু পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে যায়। স্থূল অণুকণা পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' হলো যথাক্রমে ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ার। নিচে এ দুই ধরনের বায়ুস্তরের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো:

ট্রপোমণ্ডল ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর। এ বায়ুস্তরের গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। ঋতুভেদে এবং ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে গভীরতার পার্থক্য হয়ে থাকে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে গভীরতা সর্বোচ্চ ১৬ কিমি. এবং মেরু অঞ্চলে সর্বোচ্চ গভীরতা ৮ কিমি.। দুটি অঞ্চলের গড় গভীরতা ১৩ কিমি.। ট্রপোমণ্ডলের শেষ সীমাকে ট্রপোপজ বলে। এর গভীরতা কম। কোনো ঝড়বৃষ্টি না থাকায় এ অঞ্চলে বিমান চলাচল করে। ট্রপোস্ফিয়ারের প্রতি কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে হ্রাস পায় ৬.৪° সে.। জীবনধারণের জন্য এ স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক উপসর্গগুলো এ স্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

অন্যদিকে, ট্রপোপজের ওপর যে বায়ুস্তর আছে তার নাম স্ট্রাটোস্ফিয়ার। ট্রপোস্ফিয়ারের উপর এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি. পর্যন্ত স্ট্রাটোস্ফিয়ার বিস্তৃত। এ স্তরের মধ্যে দিয়ে যতই উপরে ওঠা যায় তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতায় বায়ুর তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি প্রায় ১০° সে হয়। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা, বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই। স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ ওজোনস্তরের অস্তিত্ব। ওজোনের জন্য শুধু যে তাপমাত্রা বাড়ে তাই নয়, বায়ুমণ্ডলের এ অংশে ওজোন গ্যাসের স্তরটি আছে বলেই সূর্য থেকে যেসব ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়, সেগুলো ভূপৃষ্ঠে পৌছাতে পারে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”