A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো স্থানের বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, অধঃক্ষেপণ, ঝড়-ঝত্না প্রভৃতির সমষ্টিগত দৈনিক বা কয়েক দিনের অবস্থাকে আবহাওয়া বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ থেকে ১০০ অক্ষাংশের মধ্যে এ বলয় অবস্থিত। এখানে সূর্যরশ্মি সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে উষ্ণতা বেশি থাকে। ফলে বায়ু উত্তপ্ত হয়ে প্রসারিত হয় এবং হালকা হয়ে উপরে ওঠে যায়। এ অঞ্চলে স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে সূর্যের প্রচন্ড উত্তাপে জলভাগ হতে প্রচুর জলীয়বাষ্প উপরে ওঠে উষ্ণ বায়ুর সাথে মিশে যায় সেজন্য বায়ুমণ্ডলের চাপ খুব কম হয়। এ কারণে নিরক্ষীয় প্রদেশে বায়ুর নিম্নচাপ হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' বলতে জলবায়ুর একটি নিয়ামক তথা পর্বতের অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। নিম্নে পর্বতের অবস্থানের কারণে জলবায়ুর কী ধরনের অবস্থার সৃষ্টি হয় তা আলোচনা করা হলো-

পর্বত বায়ুর গতি, কোনো স্থানের তাপ ও বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করে। পর্বতের এক পার্শ্বে বৃষ্টি হয়, কিন্তু অপর পার্শ্বে বৃষ্টি হয় না। এছাড়া শীতল বায়ু পর্বত অতিক্রম করে যেতে পারে না। এতে পর্বতের অপর প্রান্তের দেশে শীত কম থাকে। যেমন- মধ্য এশিয়ার শীতল বায়ু শীতকালে হিমালয় পর্বতে বাধা পায় বলে ভারত ও বাংলাদেশে শীত প্রবল হতে পারে না। আবার ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরে পর্বতমালা থাকায় গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে আগত মৌসুমি বায়ু এ পর্বতে বাধা পেয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। 

সুতরাং বলা যায় যে, পর্বতের অবস্থানের কারণে একটি অঞ্চলের জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'খ' বলতে জলবায়ুর নিয়ামক তথা সমুদ্র হতে দূরত্বের কথা বোঝানো হয়েছে।

সমুদ্র হতে দূরত্ব দু'ধরনের। যেমন- সমুদ্রের উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্র হতে দূরবর্তী অঞ্চল। উক্ত দুটি দূরত্বের কারণে জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো-

সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চল সামুদ্রিক জলবায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়। সামুদ্রিক জলবায়ুর প্রভাবে উপকূলবর্তী স্থানে শীত ও গ্রীষ্মের প্রখরতা অনেক কম থাকে। এ কারণে একই সমাক্ষরেখায় অবস্থিত স্থানসমূহের মধ্যে যে স্থান সমুদ্র হতে যত দূরে, সে স্থান গ্রীষ্মকালে তত বেশি গরম এবং শীতকালে তত বেশি শীতল হয়। সমুদ্রের নিকটবর্তী স্থানসমূহের জলবায়ু, সমভাবাপন্ন, কারণ সমুদ্র হতে প্রবাহিত আর্দ্র বায়ু শীতকালে বায়ুকে উষ্ণ ও গরমকালে বায়ুকে শীতল করে। বাংলাদেশ সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে আবহাওয়া চরম হয় না অর্থাৎ শীত ও গ্রীষ্মের প্রখরতা অধিক নয়। কিন্তু আফগানিস্তান সমুদ্র হতে দূরে বলে সেখানকার জলবায়ু চরমভাবাপন্ন অর্থাৎ শীতকালে অধিক শীত এবং গ্রীষ্মকালে অধিক গরম অনুভূত হয়।

সুতরাং বলা যায় যে, সমুদ্র হতে দূরত্বের পার্থক্যের কারণে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”