A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — ভূমিরুপ পরিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় রয়েছে। এ সকল উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে তাকে ভূআলোড়ন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নদীতে বাঁধ, গ্রোয়েন, নদীর পাড় রক্ষা বাঁধ, পানি প্রত্যাহার খাল ইত্যাদির মাধ্যমে নদীর পানিকে পরিকল্পনা মতো নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত ব্যবস্থাই হচ্ছে নদী-শাসন। সাধারণত পানির অনুভূমিক প্রবাহ ও নদীভাঙন রোধ করতে নদী-শাসন কার্যাবলি গ্রহণ করা হয়। নদীর পাড়ে বাঁধ দিয়ে সাধারণত পার্শ্বভাগ ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। নদী তীর রক্ষা ব্যবস্থা নদীপ্রবাহকে কাঙ্ক্ষিত গতিপথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' বলতে তুষারের দ্বারা সংঘটিত যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবনকে বোঝানো হয়েছে। নিম্নে উক্ত বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো-

নাতিশীতোষ্ণ ও উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে বরফের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। ঐসব অঞ্চলে বৃষ্টির পানি অথবা বরফ গলা পানি দিনের বেলায় শিলার ফাটলে প্রবেশ করে এবং রাতে অধিক শীতের দরুন বরফে পরিণত হয়। পানির তুলনায় বরফের আয়তন ১০% গুণ বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং পানি থাকা অবস্থায় শিলার উপর যে পরিমাণ চাপ পড়ে, রাতে তা বরফে পরিণত হলে চাপের পরিমাণ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ফলে শিলারাশি ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। এরূপে বরফের দ্বারা ভূপৃষ্ঠ অনবরত চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে। চূর্ণ-বিচূর্ণ শিলাখণ্ডগুলো পর্বতগাত্র বেয়ে পর্বতের পাদদেশে গিয়ে জমা হচ্ছে। এভাবে বরফের পানি দ্বারা সংকোচন-প্রসারণ হয়ে শিলাখণ্ড আলগা হচ্ছে ও অন্যত্র সঞ্চিত হচ্ছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'খ' দ্বারা জৈবিক বিচূর্ণীভবনকে বোঝানো হয়েছে। নিচে উক্ত প্রক্রিয়া ঘটানোর জন্য কীভাবে মানুষকে দায়ী করা হচ্ছে তা আলোচনা করা হলো-

মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তু এবং বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে। একে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। উদ্ভিদ নিচের দিকে শিকড় চালিয়ে মাটিকে ফাটিয়ে দেয় এবং ক্রমে মাটি আলগা হয়ে পড়ে। বৃষ্টির পানি ভেতরে প্রবেশ করলে শিলারাশি বিচূর্ণ হয়। অন্যদিকে জীবজন্তু যেমন- কেঁচো, ছুঁচো, পিঁপড়া, কুকুর প্রভৃতি সর্বদা মাটি খুঁড়ে উলট-পালট করে এবং শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।

উক্ত দুটি প্রকৃতিগত কারণে শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় খুব ধীর গতিতে। পক্ষান্তরে, জৈবিক বিচূর্ণীভবনের আরেকটি প্রক্রিয়া যা খুবই বেশি প্রভাব ফেলে তা হচ্ছে মানুষের কার্য। বর্তমান যুগে মানুষ নিজেদের সুবিধার জন্য ভূত্বকের পরিবর্তন সাধন করছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাস্তাঘাট নির্মাণে খাল খনন, গৃহ নির্মাণে কৃষিখেত খনন, বিভিন্ন নির্মাণাধীন দালানকোঠা নির্মাণে মৃত্তিকা খনন, আসবাবপত্র নির্মাণে গাছ কাটা প্রভৃতি নানামুখী কর্মকাণ্ডের কারণে মৃত্তিকা চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে।

সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্যে মানুষের কার্যাবলি শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণীভবনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। এ কারণে জৈবিক বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়ার জন্য মানুষ সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে মনে করি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”