A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্যান্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াই হচ্ছে পরাগায়ন।

উত্তর:

পরাগনালি থেকে নির্গত দুটি পুংগ্যামেটের মধ্যে একটি ভ্রূণথলির কেন্দ্রে থাকা গৌণ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়। একে ট্রিপল ফিউশন বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামেটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামেটের মিলন প্রক্রিয়াই দ্বিনিষেক।

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রবাহ চিত্রে স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ থেকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় ভ্রুণথলি সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে এবং B, C, D দ্বারা ভ্রুণথলি গঠন অর্থাৎ স্ত্রীগ্যামেটোফাইট উৎপত্তির বিভিন্ন ধাপকে বুঝানো হয়েছে। নিচে স্ত্রীগ্যামেটোফাইট উৎপত্তির বিভিন্ন ধাপ চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-

ফুলের গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বক থাকে যেখানে স্ত্রী জনন মাতৃকোষ সৃষ্টি হয়। এ কোষটি মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রী রেণু কোষ সৃষ্টি করে যার তিনটি নষ্ট হয়ে যায়। জীবিত কোষটির নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। আবার প্রতিটি নিউক্লিয়াস পর পর দুবার বিভক্ত হয়ে চারটি করে আটটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। এ আটটি নিউক্লিয়াস একটি থলির ন্যায় অঙ্গের দু'মেরুতে অবস্থান করে। থলির ন্যায় এ অঙ্গকে ভ্রূণথলি বলে। ভ্রুণথলির দু'মেরু হতে একটি করে নিউক্লিয়াস থলির মাঝখানে চলে আসে এবং পরস্পর মিলিত হয়ে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস তৈরি করে। ডিম্বকরন্ধ্রের দিকে অবস্থিত মেরুর তিনটি নিউক্লিয়াসকে একত্রে গর্ভযন্ত্র বলে। গর্ভযন্ত্রের তিনটি নিউক্লিয়াসের মাঝখানের অপেক্ষাকৃত বড়ো কোষটিই হলো ডিম্বাণু এবং অন্য কোষ দুটিকে সহকারি কোষ বলে।

উত্তর:

উদ্ভিদে, বিশেষ করে সপুষ্পক উদ্ভিদে নিষেক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। সপুস্পক উদ্ভিদে এই প্রক্রিয়াটি দ্বিনিষেক নামে পরিচিত, কারণ এখানে দুটি নিষেক একসাথে ঘটে। নিচে উদ্ভিদে নিষেকের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো-

নিষেক প্রক্রিয়ায় পরাগনালি থেকে আসা একটি পুরুষ গ্যামেট স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু কোষের সাথে মিলিত হয়। এই মিলনের ফলে জাইগোট (2n) গঠিত হয়। জাইগোট বারবার বিভাজিত হয়ে ভ্রুণ গঠন করে, যা বীজের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে এবং অনুকূল পরিবেশ পেলে একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন উদ্ভিদে পরিণত হয়।

দ্বিনিষেকের সময় অন্য পুংগ্যামেটটি ভ্রূণথলির কেন্দ্রে থাকা সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের (2n) সাথে মিলিত হয়। এই মিলনের ফলে ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম (3n) নামক এক ধরনের বিশেষ টিস্যু তৈরি হয়। এন্ডোস্পার্ম বা সস্যকলা বিকাশমান ভ্রূণের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য, শক্তি এবং পুষ্টি সরবরাহ করে। নিষেক ডিম্বককে বীজে এবং ডিম্বাশয়কে ফলে পরিণত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা জোগায়। বীজ হলো উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি ও সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম।

অতএব, নতুন ভ্রুণ ও বীজ সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি এবং জীবনচক্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিষেক অপরিহার্য।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”