| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
প্লীহাকে রক্তের রিজার্ভার বা ব্লাড ব্যাংক বলা হয় যা প্রায় ৩০০ মিলিলিটার রক্ত জমা রাখে।
হিমোস্ট্যাসিস হলো শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা কোনো আঘাতের কারণে রক্তনালি ছিঁড়ে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালি সংকুচিত করে এবং অণুচক্রিকার মাধ্যমে রক্তকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। শরীরের রক্তক্ষরণ কমিয়ে এটি মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং রক্তস্বল্পতা রোধ করতে সরাসরি কাজ করে বলে হিমোস্ট্যাটিস গুরুত্বপূর্ণ।
হিমোস্ট্যাসিস হলো শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা কোনো আঘাতের কারণে রক্তনালি ছিঁড়ে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালি সংকুচিত করে এবং অণুচক্রিকার মাধ্যমে রক্তকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। শরীরের রক্তক্ষরণ কমিয়ে এটি মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং রক্তস্বল্পতা রোধ করতে সরাসরি কাজ করে বলে হিমোস্ট্যাটিস গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত হৃৎপিণ্ডের সমস্যা M হলো অ্যানজাইনা এবং N হলো হার্ট ফেইলিউর। অ্যানজাইনা এবং হার্ট ফেইলিউর উভয়ই জীবনঘাতী সমস্যা হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। নিচে এর যৌক্তিক মূল্যায়ন করা হলো-
অ্যানজাইনা হলো হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট বুকে ব্যথা। করোনারি ধমনিতে ব্লক বা কোলেস্টেরল জমার কারণে পেশিগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও গ্লুকোজ পায় না। অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো মায়োকার্ডিয়াম স্তরে অবাত শ্বসনে ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি করে যা তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করে। এটি হার্ট অ্যাটাকের পূর্বাবস্থা হিসেবে কাজ করে। ধূমপান বর্জন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করলে এই ঝুঁকি কমানো যায়। এছাড়া ব্যায়াম করা এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহারের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব। অন্যদিকে হার্ট ফেইলিউরের ফলে হৃৎপিণ্ড দেহের চাহিদা অনুযায়ী রক্ত পাম্প করতে পারে না। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, পা ফুলে যাওয়া এবং শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে পানি জমার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, সংক্রমণের সঠিক চিকিৎসা এবং নিয়মিত ওজন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যেমন হালকা ব্যায়াম এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস হার্ট ফেইলিউরে আক্রান্ত রোগীর আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে। অর্থাৎ ধূমপান বর্জন, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে উভয় রোগের প্রধান কারণগুলো প্রতিরোধ করা যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যবহারের ফলে হৃদপিন্ডের পেশিগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
উপরের আলোচনা থেকে যৌক্তিকভাবে বলা যায় যে, অ্যানজাইনা এবং হার্ট ফেইলিউর সমস্যার সঠিক ব্যবস্থাপনা বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।