| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘রাসেল একটি এলাকায়…’ a – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)

রাসেল একটি এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে অপরিকল্পিত বহু কলকারখানা গড়ে উঠেছে। যার ফলে ঐসব এলাকায় মারাত্মক দূষণ সংঘটিত হয়েছে এবং এর ফলে ঐ এলাকার লোকের ইনফ্লুয়েঞ্জা, যক্ষ্মা, ফুসফুসের প্রদাহ দেখা দিয়েছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
জড় ও জীবদেহের মধ্যে কার্বন এর চক্রাকারে আবর্তন প্রক্রিয়াকে কার্বনচক্র বলে।
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।
পৃথিবীপৃষ্ঠে অন্তরীক্ষে স্বাদু পানিতে ও সামুদ্রিক জলাশয়সমূহে বসবাসকারী সকল প্রকার জীবের মধ্যে বিরাজমান প্রজাতিগত, জীনগত ও পরিবেশতান্ত্রিক বিভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে। সাধারণত বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এটি সংরক্ষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে জীবজগৎ ও. উদ্ভিদজগৎ কর্তৃক পরিবেশিক দূষণ প্রতিরোধ করতে অনেকাংশে সক্ষম হবে। মোটকথা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে জীবজগৎ ও উদ্ভিদজগতের মধ্যে সার্বিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাসেলের ভ্রমণকৃত এলাকায় বায়ুদূষণ পরিলক্ষিত হয়। মানুষের অপরিকল্পিত কার্যকলাপ ও অব্যবস্থাপনা এ বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। যেসব কারণে ব্যাপকভাবে বায়ুদূষণ সংঘটিত হয় তা নিচে আলোচনা করা হলো-
⦿ জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি।
⦿ বনভূমি উজাড়করণ অর্থাৎ বৃক্ষ নিধন। অপরিকল্পিত বাসভবন নির্মাণ।
⦿ নিয়ম না মেনে যত্রতত্র কারখানা, ইটভাটা প্রভৃতি নির্মাণ।
⦿ কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি।
⦿ কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি।
⦿ জনগণের সচেনতার অভাব।
⦿ যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা।
⦿ মেয়াদউত্তীর্ণ যানবাহন ব্যবহার।
উপরিউল্লিখিত কারণে দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে যা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে অদুর ভবিষ্যতে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে তা নিম্নরূপ –
পরিবেশ দূষণরোধে সিএনজি জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ যানবাহন নিষিদ্ধ করতে হবে। অধিক হারে বৃক্ষ লাগাতে হবে। বিশ্ব পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন আয়জন করা এবং উত্ত সম্মেলন থেকে বিশেষজনদের মতামত অনুযায়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করা। বনভূমি উজাড়করণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে গাছকাটা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা সম্বন্ধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিল্পকারখানার বর্জ্য ও গৃহস্থালির বর্জ্য পদার্থ নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।
সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত বিষয়গুলোর দিকে দৃষ্টি দিলে পরিবেশ দূষণ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।