A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রাশেদ জীববিজ্ঞান জাদুঘরে…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস🔢 সৃজনশীল নং ৯৪🏢 প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রাশেদ জীববিজ্ঞান জাদুঘরে ঘাসফড়িং, কেঁচো এবং তারামাছ দেখল। সে প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু এবং ডলফিনও দেখল।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লিথাল জিন হলো সেসব জিন যারা হোমোজাইগাস অবস্থায় সংশ্লিষ্ট জীবের মৃত্যু ঘটায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের হালদা নদী হলো এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখান থেকে সরাসরি কার্প জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছের বিশুদ্ধ জিনগত বৈশিষ্ট্য এই নদীর মাছের মধ্যে বজায় থাকে যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এই নদী থেকে পাওয়া রেণু পোনার বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার হার কৃত্রিম হ্যাচারির তুলনায় অনেক বেশি। মাছের আদি ও অকৃত্রিম জিনের আধার রক্ষা করে বলে হালদা নদীকে কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রাশেদের দেখা প্রথম তিনটি প্রাণী হলো ঘাসফড়িং, কেঁচো ও তারামাছ। ঘাসফড়িং, কেঁচো ও তারামাছের মধ্যে ঘাসফড়িং বেশি উন্নত নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
প্রাণিজগতের প্রধান পর্বগুলোর মধ্যে ঘাসফড়িং আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণী, যা অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত এবং বৃহত্তম পর্ব। অন্যদিকে কেঁচো অ্যানিলিডা এবং তারা মাছ একাইনোডার্মাটা পর্বের অন্তর্ভুক্ত। ঘাসফড়িংয়ের দেহে উন্নত অঙ্গতন্ত্র বিদ্যমান। এদের কাইটিনযুক্ত বহিঃকঙ্কাল থাকে যা দেহকে সুরক্ষা দেয় এবং চলনে সাহায্য করে। কেঁচোর দেহে এমন শক্ত কঙ্কাল নেই। তারামাছের দেহে কোনো সুগঠিত মস্তক বা মাথা নেই। তারামাছের দেহে শক্ত বহিঃকঙ্কাল নেই। তারামাছের দেহ কন্টকময় এবং পঞ্চঅরীয় প্রতিসম যা ঘাসফড়িংয়ের দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য থেকে কম উন্নত। ঘাসফড়িংয়ের শ্বসনের জন্য অত্যন্ত উন্নত শ্বসনতন্ত্র বা ট্রাকিয়াল সিস্টেম রয়েছে, যা সরাসরি কোষ পর্যায়ে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। কেঁচো মূলত ত্বকের মাধ্যমে শ্বসন চালায় যা তুলনামূলকভাবে অনুন্নত। তারামাছের কোনো সুগঠিত রক্ত সংবহন তন্ত্র বা শ্বসন তন্ত্র নেই। ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষি বা ওমাটিডিয়াম এবং অ্যান্টেনা রয়েছে, যা তাদের উন্নত দর্শানুভূতি এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বুঝতে সাহায্য করে। তারা মাছ বা কেঁচোর মধ্যে এরকম উন্নত জটিল সংবেদী অঙ্গ দেখা যায় না। ঘাসফড়িংয়ের সন্ধিযুক্ত পা এবং ডানা রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা দ্রুত দৌড়াতে এবং উড়তে পারে। তারা মাছের টিউব ফিট বা কেঁচোর সিটার তুলনায় এই চলন প্রক্রিয়া অনেক বেশি উন্নত।
তাই দেখা যাচ্ছে, শ্রেণিবিন্যাসের ধারা এবং পর্বের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঘাসফড়িং, কেঁচো ও তারামাছের মধ্যে ঘাসফড়িং বেশি উন্নত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক উল্লিখিত শেষ তিনটি প্রাণী হলো প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু ও ডলফিন। প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু ও ডলফিন প্রত্যেকেই Mammalia শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তবে বাচ্চা প্রসবের ধরন এবং এদের ভূণীয় বিকাশের উপর ভিত্তি করে এদের তিনটি ভিন্ন উপশ্রেণি বা Sub-class এ ভাগ করা হয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
প্লাটিপাস মূলত Prototheria উপশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এরা স্তন্যপায়ী হওয়া সত্ত্বেও সরীসৃপদের মতো ডিম পাড়ে। এদের ডিমগুলো কুসুমসমৃদ্ধ এবং চামড়ার মতো খোলসযুক্ত থাকে। এদের দেহে কোনো স্তনবৃন্ত থাকে না। স্তন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত দুধ সরাসরি চামড়ার ওপর দিয়ে চুইয়ে পড়ে এবং বাচ্চা তা পান করে।
ক্যাঙ্গারু Metatheria উপশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে মাসুপিয়াল স্তন্যপায়ীও বলা হয়। এরা সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে। তবে এদের বাচ্চাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হওয়ার আগেই জন্ম নেয়। অপূর্ণাঙ্গ এই বাচ্চাগুলো জন্মের পর মায়ের পেটে থাকা মাসুপিয়াম নামক থলিতে আশ্রয় নেয়। সেখানে স্তনবৃন্ত থেকে দুধ পান করে তারা পূর্ণ বিকাশ সম্পন্ন করে।
ডলফিন Eutheria উপশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এরা হলো প্রকৃত স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের ভ্রূণ মায়ের জরায়ুর ভেতরে অমরা বা প্লাসেন্টার মাধ্যমে পুষ্টি পায়। এরা জরায়ুর ভেতরেই পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হয় এবং সরাসরি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা প্রসব করে। মা স্তন্যদুগ্ধ পান করিয়ে বাচ্চাকে বড় করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু ও ডলফিন একই Mammalia শ্রেণির সদস্য হলেও বংশবৃদ্ধির কৌশলের ভিন্নতার কারণে এরা তিনটি ভিন্ন উপশ্রেণির প্রাণী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রাশেদ জীববিজ্ঞান জাদুঘরে…’ কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”