A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রেডিওতে শেখ মুজিবুর…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৪ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏢 প্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয় । তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

 শামসুর রাহমান কর্মজীবন শুরু করেন ‘দৈনিক মর্নিং নিউজ' পত্রিকার মধ্য দিয়ে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট” এখানে সে রং বলতে কবি আমাদের চেতনার বিপরীত রং অর্থাৎ পাকিস্তানি শাসকদের হীন শাসনকে বুঝিয়েছেন ।

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি কৃষ্ণচূড়ার লাল রংকে আমাদের চেতনার রং হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু এ রং বিপরীত রং হিসেবে কবি পাকিস্তানি শাসনকে বুঝিয়েছেন, যারা সারা দেশে অত্যাচার, নির্যাতন চালিয়েছে। কবির মতে, এই রং আলোকে ঢেকে দিয়ে আঁধারের সূচনা করে, মানুষকে অস্থির করে তোলে। মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে মানুষকে নিরাপত্তাহীনতায় নিয়ে যায়। কবি মনে করেন পুরো দেশ যেন এই অশুভ শক্তির আস্তানা হয়ে গেছে। এই বিষয়টিকে বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মদানের দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ।

বাঙালিরা অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেনি। তারা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য যুগে যুগে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম བ করেছে। ইতিহাসের ধাপে ধাপে বাঙালির আত্মাহুতির মধ্য দিয়ে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ এসেছে।

উদ্দীপকের রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তাই মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য T তারা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে তারা শত্রুদের গুলির আঘাতে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। • ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও কবির বর্ণনায় ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে এদেশের সংগ্রামী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। একুশের চেতনাকে বুকে ধারণ করে প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য মানুষ ঢাকার রাজপথে নেমে পড়ে। কবি এসব সংগ্রামী মানুষের চেতনাকে ফুটিয়ে তুলেছেন এই কবিতায়। তারা রাজপথে নেমে ঘাতকের থাবার মুখে বুক পাতে, যা উদ্দীপকের সংগ্রামী মানুষের আত্মদানকেই নির্দেশ করে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক এবং ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য— মন্তব্যটি যথার্থ ।

অত্যাচারী শাসন ও শোষণ থেকে রেহাই পেতে চাইলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা সকলের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামী চেতনাকে অত্যাচারী শাসকেরা খুবই ভয় পায় । কারণ গণমানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনা একবার জেগে উঠলে সমস্ত অন্যায়-অবিচার ও শোষণের কালো হাত নির্মূল না করে ক্ষান্ত হয় না ।

উদ্দীপকের রাসেল ও ফরিদ রেডিওতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে পাকিস্তানিদের কবল থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য যুদ্ধে যোগদান করে। দেশ রক্ষার লড়াইয়ে তারা দুজনেই শত্রুদের গুলির আঘাতে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও কবি অত্যাচারী পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে গণমানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন, সংগ্রামের চমৎকার চিত্র অঙ্কন করেছেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণ- আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল সেই চিত্র কবি এই কবিতায় চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কবির কাছে মনে হয়েছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মতো ১৯৬৯-এর গণ আন্দোলনেও সালাম, বরকতেরা রাজপথে নেমে পড়েছে। শোষকের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য কবি ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করেছেন 

কবি বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক শিল্পভাষ্য রচনা করেছেন এই কবিতায়। কবির মতে, ১৯৬-এ আবারও যেন রাজপথে নেমে সালাম শূন্যে পতাকা তোলে, বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার মুখে। এখানে মূলত কবি সালাম, বরকত বলতে সংগ্রামী মানুষের সাহসী ও সংগ্রামী চেতনাকে বুঝিয়েছেন যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রেডিওতে শেখ মুজিবুর…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৪ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”