A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রকিব ব্যবহারিক ক্লাসে…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১৩৮🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রকিব ব্যবহারিক ক্লাসে রুই মাছ ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে কানকোর নিচে চিরুনির মতো অঙ্গ দেখতে পেল। সে পৌষ্টিক নালির উপরে সাদা বর্ণের বালিশের মতো আরেকটি অঙ্গ দেখতে পেল ।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রুই মাছের আঁইশ সাইক্লয়েড ধরনের। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এই রুই মাছের হৃৎপিপ্ডকে ভেনাস হার্ট বলার কারণ- রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে একমুখী প্রবাহ সহায়ক কপাটিকা থাকায় হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে CO2 সমদ্ধ রক্ত পেছন থেকে সামনের দিকে একমুখী প্রবাহিত হয়। CO2 সমৃদ্ধ রক্তবাহিত হয় বলে এ হৃৎপিপ্তকে শিরা হৃৎপিগু বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রথম অঙ্গটি রুই মাছের ফুলকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে. নিম্নে এর সচিত্র গঠন বর্ণনা করা হলো:

প্রত্যেকটি ফুলকা দেখতে সুতার মতো এবং একেকটি হোলোব্রাঙ্ক বা পূর্ণফুলকা । কারণ প্রত্যেক ফুলকা দুটি সদৃশ অর্ধাংশ নিয়ে গঠিত। প্রত্যেক অর্ধাংশকে বলে হেমিব্রাঙ্ক বা অর্ধ-ফুলকা । প্রত্যেক হেমিব্রাঙ্ক একসারি করে ফুলকা সূত্র বহন করে ৷ এগুলো গোড়ায় যুক্ত, শীর্ষে মুক্ত ।

প্রতিটি সূত্র এপিথেলিয়ামে আবৃত অসংখ্য অনুপ্রস্থ প্লেট বহন করে । এপিথেলিয়াম রক্ত-জালিকা সমুদ্ধ । প্রত্যেক ফুলকা একেকটি অস্থিময় ফুলকা আর্চ-এ অবলম্বিত। এভাবে প্রত্যেক আর্চে দুটি ফুলকা সারি যুক্ত থাকে। প্রথম চারটি ফুলকা আর্চই ফুলকাগুলো বহন করে। পঞ্চম আর্চে কোনো ফুলকা থাকে না। আর্চের অন্তঃকিনারা প্রসারিত হয়ে কাঁটাযুক্ত পাতলা ফুলকা-রেকার গঠন করে। দুই সারি হেমিব্রাঙ্ক মধ্যে অস্পষ্ট ইন্টারব্রাঙ্কিয়াল সেন্টাম থাকে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে রুইমাছ ফুলকা দ্বারা এর জলজ শ্বসন সম্পন্ন করে । চারজোড়া ফুলকা হচ্ছে রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ । কারণ এগুলোর প্রত্যক্ষ ও প্রধান ভূমিকায় শ্বসন সম্পন্ন হয়। এ অঙ্গই পরিবেশ ও রুইমাছের দেহের মধ্যে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটায় । রুইমাছের শ্বসন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, মাছের গলবিল চোষণ পাম্পের মতো কাজ করে । এর মাধ্যমে অক্সিজেন সমুদ্ধ পানি মুখের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে । কানকোর পার্শ্ব সঞ্চালনে চোষণ বলের সৃষ্টি হয়। কানকো দুটি উত্তোলিত হলে, ফুলকা প্রকোষ্ঠের মুখ ব্রাঙ্কিওস্টেগাল বিল্লি দিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এতে গলবিলে একটি চোষণ বলের সৃষ্টি হয়। ফলে মুখছিদ্র রক্ষাকারী মৌখিক কপাটিকা খুলে যায় এবং পানি মুখের ভেতর দিয়ে মুখগহ্বরে প্রবেশ করে। কানকো পেশি-সংকোচনের ফলে নেমে আসলে গলবিল ও মুখগহ্বরে চাপ বেড়ে যায়। সাথে সাথেই মৌখিক কপাটিকা মুখছিদ্রকে বন্ধ করে দেয় এবং ফুলকা-প্রকোষ্ঠের ছিদ্র উন্মুক্ত হয় । পানি তখন এ ছিদ্রপথেই বেরিয়ে যায় । মুখ ও গলবিলের ভেতর দিয়ে অভিক্রমের সময় দ্রোতপ্রবাহ নিচে অবস্থিত ফুলকাগুলোকে ভিজিয়ে দেয়। আর তখনই ফুলকাসূত্র ব্যাপন প্রক্রিয়ায় O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগ করে। অতএব দেখা যায় যে, কানকো, গলবিল, মুখগন্ধুর ফুলকাগুলোকে প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগে সাহায্য করে এবং ফুলকাই হচ্ছে প্রধান শ্বসন অঙ্গ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রকিব ব্যবহারিক ক্লাসে…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”