| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট প্রাণীর…’ হলিক্রস কলেজ ২০২৬ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট প্রাণীর দেহের অভ্যন্তরের থলের মতো গঠনধারী অঙ্গটি পানিতে সাঁতার কাটতে সহায়তা করার পাশাপাশি অক্সিজেনের আধার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ২
মানুষের রক্ত বাহিকার প্রাচীরে বিশেষ সংবেদী স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। এ সংবেদী স্নায়ু প্রান্তকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে।
রক্ত তঞ্চন হলো একটি জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া। শরীরের কোনো স্থানে কেটে গেলে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে অণুচক্রিকা জমা হয়ে ও ফেটে গিয়ে থ্রম্বোপ্লাস্টিন তৈরি করে। ক্যালসিয়াম আয়ন () এবং অন্যান্য ক্লটিং ফ্যাক্টরের উপস্থিতিতে থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তরসের নিষ্ক্রিয় "প্রোথ্রম্বিন” কে সক্রিয় "থ্রম্বিন” উৎসেচকে রূপান্তরিত করে। সক্রিয় থ্রম্বিন রক্তরসের দ্রবণীয় "ফাইব্রিনোজেন" কে অদ্রবণীয় ফাইব্রিন সুতায় পরিণত করে। ফাইব্রিন সুতাগুলো ক্ষতস্থানে একটি জালের মতো গঠন তৈরি করে, যেখানে লোহিত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা আটকে পড়ে এবং শক্ত জমাটবদ্ধ পদার্থ বা ক্লট তৈরি করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো রুই মাছের পটকা বা বায়ুথলি। নিচে বায়ুথলির গঠন চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-
অবস্থান: রুই মাছের মেরুদণ্ডের নিচে এবং পৌষ্টিক নালির ওপরে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বায়ুপূর্ণ চকচকে সাদা লম্বা থলিকে বায়ুথলি বা পটকা বা সাঁতার থলি বলে। পৌষ্টিক নালির পৃষ্ঠীয় প্রাচীর থেকে বায়ুথলির উৎপত্তি ঘটে। এটি সিলোম গহ্বরে অবস্থিত।
গঠন: রুই মাছের বায়ুথলি একটি খাঁজ দ্বারা দুটি অসম প্রকোষ্ঠে বিভক্ত থাকে। সামনের প্রকোষ্ঠটি ছোট এবং পেছনের প্রকোষ্ঠটি বড়। গ্রাসনালি ও বায়ুথলির মাঝে একটি সংযোগকারী নালি উপস্থিত। একে ডাক্টাস নিউমেটিকাস বলে।
বায়ুথলির বাইরের দিক ঘনসন্নিবিষ্ট রক্তজালক সমৃদ্ধ। এর প্রাচীর দুটি স্তর দিয়ে গঠিত। বাইরের যোজক কলা দ্বারা গঠিত স্তর- টিউনিক এক্সটার্না এবং ভেতরের মসৃণ পেশি নির্মিত স্তর টিউনিকা ইন্টারনা। বায়ুথলির সম্মুখ প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীরের এপিথেলিয়াম সংলগ্ন একটি করে লাল বর্ণের গ্যাস গ্রন্থি থাকে। এর নাম রিটি মিরাবিলি। সামনের প্রকোষ্ঠের এ গ্রন্থি থেকে গ্যাস দ্বারা বায়ুথলি পূর্ণ হয়। কিন্তু পেছনের প্রকোষ্ঠে বিদ্যমান এ গ্রন্থি গ্যাস শোষণ করে। বায়ুথলির গ্যাসে বিভিন্ন উপাদান থাকতে পারে। বায়ুথলিতে বিদ্যমান গ্যাসের অধিকাংশই অক্সিজেন ()। এতে সামান্য পরিমাণ নাইট্রোজেন () এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড () থাকে। রুই মাছের বায়ুথলি ঘনিষ্ঠভাবে অন্তঃকর্ণের সাথে যুক্ত। ভেবেরিয়ান অস্থিমালা নামক একসারি ক্ষুদ্র অস্থি দ্বারা এ সংযোগ স্থাপিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ। রুই মাছের রক্তসংবহন বদ্ধ প্রকৃতির হলেও মানুষের রক্তসংবহন থেকে ভিন্নতর। নিচে রুই মাছের রক্তসংবহন ও মানুষের রক্তসংবহনের ভিন্নতা বিশ্লেষণ করা হলো-