A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রুই মাছের শ্বসন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস🔢 সৃজনশীল নং ৫০🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রুই মাছের শ্বসন অঙ্গ জলজ পরিবেশে শ্বাসকার্য পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির দর্শনের গঠন ও কার্যকরী এককই হলো ওমাটিডিয়াম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রুই মাছের হৃৎপিণ্ডে সর্বদা CO2 যুক্ত রক্ত প্রবাহমান থাকে। O2 যুক্ত রক্ত কখনও হৃৎপিণ্ডে আসে না। হৃৎপিণ্ড থেকে CO2 যুক্ত রক্ত ফুলকায় পরিশোধিত হয়ে O2 যুক্ত হয়ে দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়। আবার দেহের বিভিন্ন অংশ হতে শিরার মাধ্যমে CO2 যুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে । এই কারণে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডকে শিরা হৃৎপিণ্ড বা ভেনাস হার্ট বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাছটি হলো রুই মাছ। এর আঁইশের গঠন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- 
রুই মাছের আঁইশ সাইক্লয়েড ধরনের। এটি পাতলা, প্রায় গোল ও রূপালি চকচকে। পৃষ্ঠদেশীয় আঁইশের কেন্দ্র লালচে, প্রান্ত কালো রংয়ের। কেন্দ্রের লালচে রং জনন ঋতুতে আরও গাঢ় ও উজ্জ্বল হয়। আঁইশে এককেন্দ্রিক বৃত্তাকার স্তরে স্তরে অস্থি-উপাদান জমা হওয়ায় আঁইশের উপরিভাগে বৃত্তাকার উঁচু আল ও নিচু খাদ সৃষ্টি হয়। স্তরগুলোর কেন্দ্রটি হচ্ছে ফোকাস। এটি সাধারণত একপাশে থাকে। উঁচু আলগুলোকে বলে সার্কুলাম। উন্মুক্ত পশ্চাৎভাগের ডার্মিসে থাকে অনেক রঞ্জককোষ। সবসময়ই মিউকাসের পাতলা পিচ্ছিল আস্তরণে আবৃত থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো রুইমাছ। রুই মাছের শ্বসন অঙ্গ ফুলকার সাথে ঘাসফড়িংয়ের শ্বসন অঙ্গ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠনগত ভিন্নতা রয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ ফুলকা। এদের গলবিলের দুপার্শ্বে অবস্থিত দুটি ফুলকা প্রকোষ্ঠের প্রতিটিতে চারটি করে মোট চার জোড়া ফুলকা বিদ্যমান। প্রতিটি ফুলকা প্রকোষ্ঠ কানকুয়া নামক অস্থিপাত দ্বারা আবৃত থাকে। গলবিলের পার্শ্বপ্রাচীরে পাঁচ জোড়া ফুলকাচ্ছিদ্র থাকে। এ ছিদ্রগুলো দিয়ে গলবিল পাশের ফুলকা প্রকোষ্ঠের সাথে যুক্ত থাকে। অপরদিকে ঘাসফড়িং এর ট্রাকিয়ালতন্ত্রে দশ জোড়া ফুলকা ছিদ্র থাকে যা দেহের দুই পাশে উন্মুক্ত হয় এবং কপাটিকা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
রুইমাছের ফুলকা ফিলামেন্টে যে প্লেট থাকে তা এপিথেলিয়ামে আবৃত এবং এর ভেতর রক্তনালিকার কৈশিকজালিকা বিস্তৃত থাকে। অন্যদিকে ট্রাকিয়ালতন্ত্রের ট্রাকিওল নালিসমূহ দেহকোষের সান্নিধ্যে আসে এবং গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে, যেখানে রুইমাছে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে রক্তনালির মাধ্যমে। রুইমাছের বায়ুথলি বা পটকা পৌষ্টিকনালির পৃষ্ঠীয় প্রাচীর থেকে উৎপত্তি লাভ করে এবং পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ুথলিতে বিদ্যমান গ্যাস শ্বসন কাজে ব্যবহৃত হয়। অপরপক্ষে ঘাসফড়িং এর বায়ুথলি ট্রাকিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত যা বাতাস জমা রাখে এবং শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
কাজেই ঘাসফড়িং ও রুইমাছ দুইটি ভিন্ন ধরনের শ্বসন অঙ্গের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় করে থাকে। মাছ পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করায় এবং ঘাসফড়িং বায়ু থেকে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটানোর কারণে ফুলকা ও ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন প্রকৃতি একই রকম নয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রুই মাছের শ্বসন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”