A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রুমান প্রতিদিন মোবাইল…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ৩৪🏢 প্রতিষ্ঠান: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

রুমান প্রতিদিন মোবাইল ও সামাজিক মাধ্যমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটায়, কিন্তু বই হাতে নেয় না। একদিন তার বাংলা শিক্ষক তাকে বললেন, “বই পড়া শুধু সময় কাটানোর বিষয় নয়, এটি মনন ও চরিত্র গঠনের পথ।” এই কথা শুনে রুমান ভাবতে শুরু করল। বই পড়ার আসল উপকারিতা কী? কেন জনৈক লেখক বলেছেন, “যে মানুষ বই পড়ে না, সে নিজের মনের দিগন্তই সংকীর্ণ করে রাখে।” 

উত্তর:

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। 

উত্তর:

শিক্ষা অর্জনের বিষয় হওয়ায় শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না।

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য মানুষকে ভেতর থেকে মানুষ করে তোলা। নিজ আগ্রহে জ্ঞানের নানা বিষয় অনুসন্ধান করাই প্রকৃত শিক্ষা। তাই শিক্ষা নিজে নিজে অর্জনের বিষয়। শিক্ষক কেবল শিক্ষার্থীকে জ্ঞানের পথ দেখিয়ে দিতে পারেন। সেই পথে হেঁটে শিক্ষার্থীকে নিজের অভিমতবিদ্যা নিজে অর্জন করতে হয়, শিক্ষক তাকে শিক্ষা দিতে পারেন না। তাই শিক্ষা সম্পূর্ণরূপে অর্জনের বিষয় হওয়ায় শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। 

উত্তর:

উদ্দীপকের বক্তব্য 'বই পড়া' প্রবন্ধে আরও বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক পাঠচর্চার মাধ্যমে জাতির মনন গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এজন্য তিনি বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন যাতে দেশের জনগণ স্বেচ্ছায় ও স্বাচ্ছন্দ্যচিত্তে সাহিত্যচর্চা করতে পারে।

উদ্দীপকের রুমান বই পড়ার অভ্যস্ত নয়। সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাটায়। একদিন সে তার বাংলা শিক্ষকের কাছে বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে। সে জানতে পারে বই পড়ার মাধ্যমে মনন ও চরিত্র গঠন করার পথ সুগম হয়। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক বই পড়ার উপদেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তিনি পাঠচর্চার উপায় হিসেবে লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠার কথাও বলেছেন। তাই উদ্দীপকের বক্তব্য 'বই পড়া' প্রবন্ধে আরও বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে। 

উত্তর:

উদ্দীপকের রুমান 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের দেখানো উপায়ে লাইব্রেরিতে সাহিত্যচর্চা করে জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ার মাধ্যমে মনের প্রসারণ ঘটানো দরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যবই জাতির মানসিক সমৃদ্ধির জন্য যথার্থ নয়। তাই সাহিত্যচর্চার অভ্যাস গঠন অপরিহার্য।

উদ্দীপকের রুমান প্রতিদিন মোবাইল ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অপচয় করে। কিন্তু সে বই হাতে নেয় না। এতে করে তার মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তার বাংলা শিক্ষক তাকে বই পড়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বই পড়া শুধু সময় কাটানো নয়, এটি মনন ও চরিত্র গঠনের নিয়ামক।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিমুখী হয়ে স্বেচ্ছায় ও স্বাচ্ছন্দ্যচিত্তে নিজের অভিমতবিদ্যা অর্জনের মাধ্যমে জাতির মানস গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে উদ্দীপকের রুমানের উচিত পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি লাইব্রেরিতে সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে নিজের আত্মাকে সমৃদ্ধ করা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় কাটানো ত্যাগ করে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত লেখক-সাহিত্যিকদের সাহিত্য পাঠ করা। এভাবেই সে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবে। তার দেখাদেখি তার সহপাঠী ও বন্ধুবান্ধব বই পড়ার প্রতি উৎসাহী হয়ে উঠলে তবেই 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা পূরণ হবে জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। 

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রুমান প্রতিদিন মোবাইল…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”