A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘সাকিব গত শীতে…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — জীবমণ্ডল🔢 সৃজনশীল নং ২১🏢 প্রতিষ্ঠান মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

সাকিব গত শীতে বাংলাদেশের ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ বনাঞ্চলে বেড়াতে গিয়েছিল।

‘ক’ → বনাঞ্চলটি জোয়ারভাটার পানি দ্বারা প্রভাবিত বিশেষ ধরনের বনভূমি।

‘খ’ → বনাঞ্চলটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং তার ভ্রমণের সময়ে সেটি পত্রশূন্য অবস্থায় ছিল।

‘গ’ → বনাঞ্চলটি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্ভিদ, প্রাণিজগৎ, মাটি ও জলবায়ুর সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে যে বাস্ততান্ত্রিক একক গড়ে উঠে তাকে বায়োম বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রকৃতির কার্বন যে প্রক্রিয়ায় CO2 গ্যাসরুপে পরিবেশ থেকে জীবদেহে এবং জীবদেহ থেকে পরিবেশে আবর্তিত হয়ে প্রকৃতিতে কার্বনের সমতা বজায় রাখে তাই কার্বনচক্র। যেমন- উদ্ভিজ্জাত পদার্থ (কাঠ, কয়লা, পেট্রোল ইত্যাদি) দহন ক্রিয়ায় কার্বন যৌগ ভেসে CO2 গ্যাস নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। C6H12O6+6O2+C6H2O→6CO2+12H2O শক্তি ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক অনুযায়ী, 'খ' অঞ্চলটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং শীতকালে পাতা ঝরিয়ে দেয়। এটি হলো শালবন বা পর্ণমোচী বনভূমি (যেমন: ভাওয়াল ও মধুপুরের গড়)
লৌহজাত পদার্থসহ হলুদ-লাল রঙের বালিময়, কর্দম ও ঘন সন্নিবিষ্ট মৃত্তিকা গজারি জাতীয় শাল বৃক্ষের বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক। এছাড়া পরিমিত তাপ ও বৃষ্টিপাত এ বনভূমি সৃষ্টিতে সাহায্য করেছে।
এ অঞ্চলের মাটি মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত (১৬০ – ২০০ সেমি.) হয় এবং তাপমাত্রা অনুকূলে থাকে। এটি সাধারণত উঁচু ও চত্বর ভূমির এলাকা। বন্যার পানি এখানে জমে থাকে না, যা শাল গাছের জন্য প্রয়োজনীয়। শীতকালে আদ্রতা কমে যাওয়ায় প্রস্বেদন রোধ করতে এই বনের গাছগুলো তাদের পাতা ঝরিয়ে দেয়, যা এই অঞ্চলের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'ক' বনাঞ্চলটি হলো জোয়ারভাটার প্রভাবে সৃষ্ট স্রোতজ বা ম্যানগ্রোভ বনভূমি এবং 'গ' অঞ্চলটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি।

'ক' অঞ্চল বা স্রোতজ বৃক্ষের বনভূমি সমুদ্রের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি প্রতিদিন নিয়মিতভাবে জোয়ারভাটার লোনা পানিতে প্লাবিত হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার- ভাটারপূর্ণ জৈবনিকভাবে শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্রোতজ বৃক্ষের বনভূমি। এ বনভূমির মোট আয়তন ৬,৭৮৬ বর্গ কিলোমিটার। জোয়ারের লোনা ও কর্দমাক্ত মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকায় এ অঞ্চলের গাছের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো শ্বাসমূল, যা মাটির ওপর খাড়া হয়ে থাকে। স্রোতজ বৃক্ষের বনভূমি অঞ্চলের গাছগুলো উচ্চতায় মাঝারি এবং খুব একটা ঘন নয়।

'গ' অঞ্চলটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়িয়া এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী ও বনভূমি অবস্থিত। এ বনভূমির আয়তন ১৫,৩২৬ বর্গ কিলোমিটার। তন্মধ্যে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলাতেই বনভূমির পরিমাণ বেশি। এ বনভূমি সমতল থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি মূলত বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীল। এ অঞ্চলের পাহাড়ি বনভূমি অত্যন্ত ঘন এবং এখানকার গাছগুলো অনেক দীর্ঘ ও মোটা কাষ্টল প্রকৃতির হয়। এ বনভূমিকে চিরহরিৎ বা আধা-চিরহরিৎ বন বলা হয়। কারণ এখানকার সবগাছের পাতা একসাথে কখনোই ঝারে যায় না ফলে বনটি সবসময়ই সবুজ থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘সাকিব গত শীতে…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”