| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘সালাম সাহেবের তিন…’ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সালাম সাহেবের তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। সন্তানদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তিনি লক্ষ করলেন, তার সকল ছেলে লাল-সবুজ বর্ণের পার্থক্য বুঝতে পারে না কিন্তু মেয়েরা সকল বর্ণ সঠিকভাবে চিনতে পারে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১১
কোনো জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী জিনযুগলের গঠনই হলো জিনোটাইপ।
যখন একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দুটি জীবে সংকরায়ন (ক্রুস) ঘটে কিন্তু প্রথম বংশধরে প্রকট ফিনোটাইপ পূর্ণ প্রকাশে ব্যর্থ হয় এবং উভয় বৈশিষ্ট্যর মাঝামাঝি এক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে তখন তাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে।
উদ্দীপকে সালাম সাহেবের ছেলেদের লাল-সবুজ বর্ণের পার্থক্য না বুঝার কারণ তারা বর্ণান্ধতার জীন বহন করে। বর্ণান্ধতা একটি লিঙ্গজনিত রোগ। লাল-সবুজ রং এরা আলাদা করতে পারে না, মানুষের। চোখের রেটিনায় বিদ্যমান বর্ণসংবেদী কোষ বিভিন্ন রং শনাক্ত করে। X-ক্রোমোজোমে বিদ্যমান একটি প্রচ্ছন্ন জিন দ্বারা এই কোষসমূহের বিকাশ সম্পন্ন হয়। এই সমস্যার কোনো চিকিৎসা হয় না, বিকাশ সম্পন্ন না হলে বর্ণ সংবেদী কোষসমূহ বর্ণের পার্থক্য বুঝতে পারে না। তাই লাল ও সবুজ রংকে একই রকম দেখে। যেমন- একজন বর্ণান্ধ পুরুষের (XbY) সাথে একজন স্বাভাবিক মহিলার (XX) বিয়ে হলে তাদের সন্তান (F₁) স্বাভাবিক হবে। পরবর্তীতে F₁ জনুর স্বাভাবিক (বাহক) দৃষ্টির মহিলার সাথে যদি স্বাভাবিক দৃষ্টির পুরুষের বিয়ে হয় তাহলে প্রাপ্ত সন্তানদের একজন বর্ণান্ধ পুত্র, একজন স্বাভাবিক পুত্র, দুজন স্বাবাবিক দৃষ্টির কন্যার মধ্যে একজন বর্ণান্ধ বাহক হবে।
সালাম সাহেবের মেয়েরা স্বাভাবিক (বাহক) বা স্বাভাবিক দৃষ্টির হতে পারে। যাদের জিনোটাইপ : X বা XX ।
এখানে বর্ণান্ধতার জিন
X = স্বাভাবিক জিন
অপরপক্ষে স্বাভাবিক দৃষ্টির ছেলের জিনোটাইপ শুধুমাত্র হবে XY।
তাদের বিয়ে দুইভাবে দেখানো হলো-
একবার এর সাথে আরেকবার XX এর সাথে
ফলাফল: পুত্র: স্বাভাবিক = ২
কন্যা: স্বাভাবিক = ২
অনুপাত: ২: ২
উপরোক্ত ১ম বিয়ের ক্ষেত্রে- বাহক কন্যার সাথে স্বাভাবিক পুরুষের বিয়ে হওয়ায় একজন বর্ণান্ধ পুরুষ পাওয়া যায়। আর স্বাভাবিক কন্যার সাথে স্বাভাবিক পুরুষের বিয়ে হলে কোনো বর্ণান্ধতার প্রকাশ পায় না।