A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘সালমান বিজ্ঞান মেলায়…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ২৩🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সালমান বিজ্ঞান মেলায় গিয়ে একটি মডেল দেখল, যা দেখতে প্যাঁচানো সিঁড়ির মতো গঠন। সে জানল যে, “এটি জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক ও বাহক।”

উত্তর:

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পূর্বে কোষের নিউক্লিয়াসে কিছু - প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হয়। এ অবস্থাই হচ্ছে ইন্টারফেজ।

উত্তর:

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের প্রো-মেটাফেজ ধাপের একেবারে প্রথম দিকে তন্তুময় স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের তন্তুগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত। এদের স্পিন্ডল তন্তু বলা হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার স্পিন্ডলযন্ত্রের কিছু নির্দিষ্ট তন্তুর সাথে সংযুক্ত হয়। এ তন্তুগুলোকে আকর্ষণ তন্তু বা Traction Fiber বলা হয়। ক্রোমোজোমের সাথে এই তন্তুগুলো সংযুক্ত বলে এদের ক্রোমোজোমাল তত্ত্বও বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্যাঁচানো সিঁড়ির মতো দেখতে মডেলটি হলো DNA ডাবল হেলিক্স মডেল। নিচে মডেলটির গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
DNA দ্বিসূত্রক, দুটি পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র পরস্পরের সাথে লোহার সিঁড়ির মতো ডান দিকে প্যাঁচানো থেকে একটি ডাবল হেলিক্স গঠন করে। এ সিঁড়ির হাতল তৈরি হয় পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট শর্করা (ডি-অক্সিরাইবোজ), নাইট্রোজেনঘটিত বেস ও অজৈব ফসফেট দ্বারা। DNA-এর নাইট্রোজেন বেসগুলো হলো অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন ও সাইটোসিন। একটি সূত্রের অ্যাডিনিন অন্য সূত্রের থায়ামিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা (A = T) যুক্ত থাকে। আবার একটি সূত্রের গুয়ানিন অন্য সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত (G = C) থাকে। হেলিক্সের প্রতিটি পূর্ণ ঘূর্ণন ৩৪AA দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট। একটি পূর্ণ ঘূর্ণনের মধ্যে ১০টি নিউক্লিওটাইড থাকে। পার্শ্ববর্তী দুটি নিউক্লিওটাইডের দূরত্ব ৩.৪AA। DNA ডবল হেলিক্সের ব্যাস ২০AA

উত্তর:

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি হলো DNA জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক ও বাহক। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-
DNA-তে অসংখ্য জিন থাকে। বংশগতির নিয়ন্ত্রক হলো জিন। জিন জীবের সব অদৃশ্য ও দৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি। এসব বৈশিষ্ট্য এক বা একাধিক জিন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। জিনগুলো সাধারণত DNA অণুসূত্রের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পরপর সাজানো থাকে। এজন্য DNA-ই জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো যৌনজননের সময় গ্যামেটের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় নতুন প্রজন্মে বহন করে নিয়ে যায় DNA I এছাড়া জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। জীবের মিউটেশনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে DNA। আর মিউটেশন হলো অভিব্যক্তির মূল উপাদান। DNA-র মিউটেশনের কারণেই এক প্রজন্ম হতে অন্য প্রজন্মে বৈশিষ্ট্যের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। জীবে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়। এজন্যই বংশগতির আণবিক বা রাসায়নিক ভিত্তি হলো DNA I
পরিশেষে বলা যায় DNA-ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, যা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘সালমান বিজ্ঞান মেলায়…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”