| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিম রোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম নারান সিং।
হলওয়েল প্রকৃত নাম ‘জন জেফনিয়া’। উপাধি ‘সার্জন’। কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার। তিনি ক্লেটনকে নবাবের কাছে আত্মসমর্পণের পরামর্শ দেন। ‘দুর্গ প্রাকারে সাদা পতাকা ওড়াও'।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার মোহনলাল সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা বিদ্যমান।
মোহনলাল ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার অন্যতম প্রধান সেনাপতি। পলাশীর যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও সিরাজের পক্ষে বিশ্বস্ততার সাথে লড়াইয়ের কারণে তিনি পরিচিত।
যেখানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তার আপন আত্মীয়রা তার ভাই খালা ঘুষি টি বেগম মীর মদন মীরজাফরের মত অনেক বিশেষ ঘাতক ছিল তার মধ্যে তার সেনাপতি মোহনল্যাণ ছিল তার একজন বিশ্বস্ত লোক।
মোহনলাল নবাবের একজন বিশ্বস্ত সেনাপতি। শওকতজঙ্গের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সিরাজ তাঁকে দেওয়ানখানার পেশকার বানিয়েছিলেন। পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ বন্ধ করতে চান নি। ক্লাইভের আদেশে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
তাঁর বিখ্যাত উক্তি, “আমার শেষ যুদ্ধ পলাশীতেই।”
সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান।
একজন যথার্থ দেশপ্রেমিক দেশের কল্যাণে নিজে নিয়োজিত রাখেন সবসময়। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বীরদর্পে এগিয়ে আসেন। দেশ ও দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় তিনি নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকেন।
উদ্দীপকে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিম রোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন।মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।
উদ্দীপকে যেমন দেখানো হয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা দেশ প্রেমিকরা লড়তে প্রস্তুত তাদের দেশকে রক্ষা করতে প্রস্তুত তাদের দেশকে ভালবাসতে প্রস্তুত যেমনটা উদ্দীপক এবং নাটক সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে ফুটেছে।
‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মাঝে দেশপ্রেম পরিলক্ষিত হয়। বাংলার মানুষের অসহায়ত্বে তাঁর হৃদয় ব্যথিত হয়েছে বারবার। ইংরেজদের বাণিজ্যের নামে এদেশের জনগণের ওপর জুলুম-অত্যাচার তিনি সহ্য করেননি। প্রতিবাদ করেছেন ইংরেজদের নির্মম অত্যাচারের। দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। বিশ্বাসঘাতকদের হাতে নিজের জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন দেশপ্রেমিক নবাব।
হিউদ্দীপক এবং নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা উভয়ের মধ্যে রয়েছে অগাধ দেশপ্রেম।