A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”স্বাভাবিক মা-বাবার” সন্তান…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ১০৪🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট এমসি কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“স্বাভাবিক মা-বাবার” সন্তান বিপুল – “মূক ও বধির।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীতে যেকোনো দুটি জীব কখনই অবিকল এক রকম হতে পারে না। এ পার্থক্যই হলো পরিব্যক্তি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রাণিদেহে এমন কতকগুলো বিলুপ্ত প্রায় অঙ্গ দেখা যায় যেগুলো বিশেষ কোনো প্রাণীতে অকেজো বা নিষ্ক্রিয় কিন্তু অন্য প্রাণীতে সক্রিয় অবস্থায় থাকতে পারে। এ সকল অঙ্গগুলোকে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। এসব অঙ্গ বিবর্তন সম্পর্কিত প্রমাণ বহন করে। মানবদেহে প্রায় ১০০টি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বিদ্যমান। যেমন- মানুষের কানের পেশি, ছেদন দাঁত, উপপল্লব, পুরুষের স্তনগ্রন্থির বৃন্ত ইত্যাদি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক মা-বাবার সন্তান বিপুল "মূক ও বধির"। এটি মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের একটি বিশেষ ব্যতিক্রম, যাকে দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস বলা হয়। নিচে উল্লেখিত ঘটনটির জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা করা হলো-

মানুষের স্বাভাবিক বাক-শ্রবণ ক্ষমতা দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রকট জিনের (D এবং E) ওপর নির্ভর করে। যদি এই দুটি জিনের যেকোনো একটি জোড়া প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে (যেমন: dd বা ee), তবে অন্য প্রকট জিনটি তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে না, ফলে ব্যক্তিটি মূক ও বধির হয়।

উদ্দীপকের স্বাভাবিক মা-বাবা অবশ্যই এই বৈশিষ্ট্যের জন্য হেটেরোজাইগাস বা বাহক ছিলেন।

ধরি, স্বাভাবিক বাক-শ্রবণ ক্ষমতার প্রকট জিনদ্বয় = D এবং E
মূক-বধিরতার জন্য দায়ী প্রচ্ছন্ন জিনদ্বয় = d এবং e
পিতামাতার ফিনোটাইপ: স্বাভাবিক (বাহক) পিতা × স্বাভাবিক (বাহক) মাতা
পিতামাতার জিনোটাইপ: DdEe × DdEe
গ্যামেট: DE, De, dE, de

বিপুলের পরিবারের জিনতাত্ত্বিক চেকারবোর্ড- 

ফলাফল বিশ্লেষণ:
১. স্বাভাবিক: যাদের জিনোটাইপে অন্তত একটি D এবং একটি E প্রকট জিন বিদ্যমান (মোট ৯ জন)।
২. মূক-বধির: যাদের জিনোটাইপে যেকোনো এক জোড়া বা উভয় জোড়া প্রচ্ছন্ন জিন (dd বা ee) বিদ্যমান (মোট ৭ জন)।

চেকারবোর্ড অনুযায়ী, স্বাভাবিক (বাহক) পিতা-মাতার সন্তানদের মধ্যে ৯ : ৭ অনুপাতে স্বাভাবিক ও মূক-বধির হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিপুলের ক্ষেত্রে তার জিনোটাইপে কোনো এক জোড়া প্রচ্ছন্ন জিন (যেমন- DDee বা ddEE) একত্রিত হওয়ায় সে জন্মগতভাবে মূক ও বধির হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত ঘটনাটি মেন্ডেল এর দ্বিতীয় সূত্রের ব্যতিক্রম বলে আমি মনে করি। নিচে যুক্তিসহ বর্ণনা করা হলো-
মেন্ডেলের ২য় সূত্র: দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম বংশধরে (F1) কেবলমাত্র প্রকট বৈশিষ্ট্যগুলোই প্রকাশিত হবে, কিন্তু জননকোষ সৃষ্টির সময় বৈশিষ্ট্যগুলো জোড়া ভেঙে পরস্পর থেকে স্বতন্ত্র বা স্বাধীনভাবে বিন্যস্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন জননকোষে প্রবেশ করবে।
সূত্র অনুযায়ী F2 বংশধরে ফিনোটাইপিক অনুপাত ৯:৩:৩:১।
দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস: দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন অ্যালিল যখন পরস্পরের (একে অপরের) প্রকট অ্যালিলকে বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়। তখন তাকে দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস বলে।
(গ)নং এর ছক অনুযায়ী দেখা যায়, যাদের জিনোটাইপে প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাটিক জিন হোমোজাইগাস (dd বা ee) অবস্থায় রয়েছে তারা হয়েছে মূক ও বধির। কিন্তু যাদের জিনোটাইপে প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাটিক জিন d অথবা একটি করে রয়েছে অথবা প্রকট জিন D এবং E রয়েছে তারা হয়েছে স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রানুযায়ী F2 বংশধরে ফিনোটাইপিক অনুপাত ৯:৩:৩:১ না হয়ে ৯:৭হয়েছে। অর্থাৎ ৯ জন স্বাভাবিক এবং ৭ জন মূক ও বধির সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে যা মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম প্রকাশ করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”স্বাভাবিক মা-বাবার” সন্তান…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”