A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘স্বপন কলেজে যাওয়ার…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — চলন ও অঙগচালনা🔢 সৃজনশীল নং ৩২🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

স্বপন কলেজে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাক্রমে রিক্সা থেকে পড়ে গেল।পরীক্ষার মাধ্যমে জানা গেল তার কনুইয়ের স্থানচ্যুতি হয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মচকানো হলো কোনো অস্থিসন্ধির লিগামেন্টে অত্যধিক টান বা ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট এক ধরনের আঘাত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পুরুষ ও মহিলার শ্রোণিচক্রের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত টিস্যু অর্থাৎ অস্থির সুদৃঢ় অংশ বলতে সাধারণত নিরেট অস্থিকে বোঝানো হয়, যা হাড়ের বাইরের শক্ত ও ঘন স্তর তৈরি করে। নিরেট অস্থির সূক্ষ্ম গঠন নিচে বর্ণনা করা হলো-

নিরেট অস্থির গঠন ও কার্যরত একক হলো হ্যাভারসিয়ান তন্ত্র।নিরেট অস্থির ম্যাট্রিক্স কতগুলো স্তরে সাজানো থাকে। স্তরগুলোকে ল্যামেলি বলে। ল্যামেলি একটি সুস্পষ্ট নালির চারদিকে চক্রাকারে বিন্যস্ত। কেন্দ্রীয় এ নালিটি হলো হ্যাভারসিয়ান নালি। প্রতিটি হ্যাভারসিয়ান নালি এবং একে বেষ্টনকারী ল্যামেলির সমন্বয়ে একটি হ্যাভারসিয়ান তন্ত্র বা অস্টিওন গড়ে ওঠে। প্রত্যেক ল্যামেলায় ল্যাকুনা নামে কতগুলো ক্ষুদ্র গহ্বর পাওয়া যায়। অস্থিকোষ ল্যাকুনার ভিতরে অবস্থান করে। প্রতিটি ল্যাকুনার চারদিক থেকে সূক্ষ্ম কতগুলো নালিকা বেরোয়। এদের ক্যানালিকুলি বলে। এসব নালিকার মাধ্যমে একটি হ্যাভারসিয়ান তন্ত্রের বিভিন্ন ল্যাকুনা পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। অস্থির অভ্যন্তরে হ্যাভারসিয়ান নালিগুলো পরস্পরের আড়াআড়ি নালি দিয়ে যুক্ত থাকে। এসব নালিকে ভকম্যানস ক্যানাল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ঘটনায় স্বপনের কনুইয়ের অস্থির স্থানচ্যুতি ঘটেছে। অস্থির স্থানচ্যুতি হলো অস্থিসন্ধির হাড়গুলো তাদের স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে যাওয়া। অস্থির স্থানচ্যুতির লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিচে উল্লেখ করা হলো-

অস্থির স্থানচ্যুতির লক্ষণ:
১. স্থানচ্যুতির প্রাথমিক লক্ষণ হলো- ঐ অস্থি তার কাজে অক্ষম হয় অর্থাৎ ঐ অস্থি নড়াচড়া করা যায় না।
২. স্থানচ্যুতি ঘটলে ঐ স্থানটিতে প্রচন্ড ব্যথা এবং রক্ত জমাট বেঁধে কাল শিরার সৃষ্টি হয়।
৩. স্থানচ্যুতির কারণে অস্থি, অস্থিসন্ধি থেকে সরে যাওয়ার ফলে ঐ স্থানটি উঁচু হয়ে ফুলে থাকে।
৪. স্নায়ু অথবা রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে অস্থিসন্ধি সাময়িকভাবে অবশ হয়ে যায়।

স্থানচ্যুতির প্রাথমিক চিকিৎসা:
১. স্থানচ্যুত অস্থি নড়াচড়া থেকে বিরত রাখতে হবে।
২. কোনো অবস্থাতেই নিজেরা চাপাচাপি করে বিচ্যুত অস্থিকে পূর্বের স্থানে বসানোর চেষ্টা করা যাবে না। এতে অস্থি সন্ধির চারদিকের লিগামেন্ট, টেন্ডন পেশি ছিঁড়ে গিয়ে পরিণতি আরও খারাপ হতে পারে।
৩. বিচ্যুত অস্থিকে যথাস্থানে বসানোর পর ঐ স্থানে চটি বা বান্ডেজ বেঁধে দিতে হবে যাতে অস্থিটি সরে না যায়।
৪. ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি হলে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে হবে।
৫. ক্ষতস্থান ফুলে গেলে ফুলা কমানোর জন্য আইস প্যাক বা বরফ লাগাতে হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘স্বপন কলেজে যাওয়ার…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”