A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘‘স্বপ্ন ছোঁয়া’ নামে…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ২৮🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘স্বপ্ন ছোঁয়া’ নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বপ্ন বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি মোহাম্মদি বেগের।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আক্রমণের মুখে ইংরেজের পালিয়ে যাওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে । 

১৭০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে ইংরেজরা নবাবের বিনা অনুমতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই নবাব ওই দুর্গ আক্রমণ করেন। ইংরেজ সৈন্যরা নবাবের সৈন্যদের আক্রমণের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়লে | ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলর ফকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম নৌকাযোগে দুর্গ থেকে | পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। শেষ পর্যায়ে ক্যাপ্টেন ক্লেটনও গভর্নর ড্রেকের | সাথে পরামর্শের নাম করে আত্মরক্ষার্থে সব প্রতিজ্ঞা ভুলে দুগ থেকে পালিয়ে যান । তাই ব্যঙ্গার্থে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাণিজ্যের নাম করে অর্থ আত্মসাৎ ও শোষণ করার সূত্রে উদ্দীপকের স্বপ্নছোঁয়া কোম্পানির সাথে সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাদৃশ্যপূর্ণ। 

‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাণিজ্যের আকর্ষণে বাংলায় এসেছিল। বাণিজ্যকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে শেষ পর্যন্ত তারা এদেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। বেনিয়ার জাত ইংরেজরা উদ্দেশ্য হাসিলে সফলও হয়। প্রথমে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাতে বাংলার মানুষের উপকারই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা যায় নিজেদের স্বার্থ হাসিল করাই ছিল তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। 

উদ্দীপকের স্বপ্নছোঁয়া কোম্পানি স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। স্বার্থ হাসিল হলে কোম্পানিটি গায়েব হয়ে যায়। এমন প্রতারক ও শোষকের ভূমিকায় দেখা যায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাণিজ্যের জন্য এদেশে এসে বৃহত্তর বাংলাকে শোষণ করে ফুলে-ফেঁপে ওঠে এবং পরে এদেশ ছেড়ে চলে যায়। অর্থাৎ উদ্দেশ্য ও কার্যকলাপে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং স্বপ্নছোঁয়া কোম্পানি পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

‘উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্য এবং ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'— কথাটি সঠিক ও সত্য ।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতবর্ষে এসেছিল বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে। তারা সেভাবেই আলিনগরের সন্ধি করেছিল । কিন্তু স্বার্থসিদ্ধির জন্য তারা সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করে। উদ্দীপকের স্বপ্নছোঁয়াও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতোই ঘৃণ্য আচরণ করেছে। 

উদ্দীপকের স্বপ্নছোঁয়া কোম্পানি স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা সংগ্রহ করতে চেয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য আসলে সৎ ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যের নামে প্রতারণা করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করা। তাই বাণিজ্যে লাভ হলেই তারা রাতারাতি গায়েব হয়ে যায়। একই ধরনের কাজ করেছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি । 

ভালোমানুষির খোলসে প্রবেশ করলেও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও উদ্দীপকের স্বপ্নছোঁয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য অভিন্ন। আর তা মোটেই সৎ নয়। দুটো কোম্পানিরই উদ্দেশ্য ছিল প্রতারণার মধ্য দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি ও অর্থলাভ। কিন্তু উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা ভালোমানুষির খোলস পরে ছিল। তাই প্রশ্নোক্ত কথাটি সন্দেহাতীতভাবেই প্রমাণিত হয়। অর্থাৎ উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্য ও সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘‘স্বপ্ন ছোঁয়া’ নামে…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”