A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘স্কুল মাঠে একদল…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — সাহিত্যে খেলা🔢 সৃজনশীল নং ২২🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

স্কুল মাঠে একদল শিশু আপন মনে খেলায় ব্যস্ত। মাঠের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন পাড়ার সকলের বেলুমামা। তিনি শিশুদের ডেকে বললেন, “তোমরা এমন দৌড়-ঝাঁপ করতে গিয়ে হাত-পা ভাঙবে, ব্যথা পাবে। তার চেয়ে এসো সবাই বসে পড়ালেখা করি- জ্ঞান বাড়বে, দিব্যাবুদ্ধি বাড়বে।” একটি শিশু বলল, “মজাটা কমবে।” সাথে সাথে সব শিশু হেসে উঠল। একে একে সবাই ছুটে পালাল খেলার মাঠে- মনের আনন্দে শুরু করল খেলা।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।" উক্তিটি দ্বারা লেখক সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করেছেন।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় সাহিত্যের আদি কবি বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন, আদিতে মুনি-ঋষিদের জন্য অথচ জনসাধারণ আজও তার শ্রবণে-পঠনে আনন্দ উপভোগ করে। তার একমাত্র কারণ সেই 'রামায়ণ' কাব্য হিসেবে অমর এবং আনন্দের ধর্মই তাই যে তা সংক্রামক। একথা বলা বাহুল্য যে, বড়ো বড়ো মুনি-ঋষিদের কিঞ্চিৎ শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য বাল্মীকির ছিল না। তার প্রমাণও 'রামায়ণ' শ্রবণকারী মুনি-ঋষিদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখক এজন্যই বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষাদান করা নয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানসিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের বেলুমামা 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের স্কুলমাস্টার চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের প্রতি আমাদের বিরাগ সৃষ্টির কারণ হিসেবে 'স্কুল শিক্ষকদের দায়ী করেছেন। কেননা তারা জোর করে সাহিত্যের গূঢ় তত্ত্ব বা গুণের কথা শেখালেও এতে করে সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের প্রাণের মিলন ঘটে না। সাহিত্য কী তা আমরা বুঝতে পারি না।
স্কুলমাস্টাররা যেমন সব বিষয়ই শিক্ষার্থীদের জোর করে বোঝাতে চান, তেমনই উদ্দীপকেও বেলুমামা জোর করে শিশুদের শেখাতে চান। বেলুমামা শিশুদের খেলাধুলা বাদ দিয়ে পড়ালেখা করার কথা বলেন। শিশুরা তখন শিক্ষালাভের বিপরীতে মনের আনন্দে খেলা করার বিষয়টি গ্রহণ করে। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও লেখক স্কুলমাস্টারদের সম্বন্ধে এই কথাগুলোই বলেছেন। তারাও শিক্ষার্থীদের মনের আনন্দকে প্রাধান্য না দিয়ে জোরপূর্বক পড়ালেখায় ব্যস্ত রাখতে চান। এ দিক থেকে উদ্দীপকের বেলুমামা ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের স্কুলমাস্টারদের একই কাতারে ফেলা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সাহিত্যের অন্যতম উদ্দেশ্য মানুষকে নিছক আনন্দদানের দিক বিবেচনায় "সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্য অভিন্ন" মন্তব্যটি যথার্থ।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকর মতে, সাহিত্যর উদ্দেশ্য হলো মানুষকে আনন্দ দান করা। মানুষকে নির্মল আনন্দ দান ও সৌন্দর্য সৃষ্টির লক্ষ্যেই সাহিত্যের সূচনা। এটা অনেকটা খেলার মতো। কেননা সাহিত্যের মতো খেলারও উদ্দেশ্য মানুষকে নিছক আনন্দ দান।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে মনের আনন্দের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার মতে আনন্দই সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য। সাহিত্যিকরা মনের আনন্দে সাহিত্য রচনা করবেন এবং পাঠক তা পড়ে আনন্দলাভকরবে। উদ্দীপকের শিশুদের খেলায়ও একই উদ্দেশ্য দেখা যায়। শিশুরা মনের আনন্দে খেলা করছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে লেখক নিছক আনন্দলাভের কথা বলেছেন। উদ্দীপকে শিশুদের খেলায়ও একই উদ্দেশ্য লক্ষ করি। শুধু আনন্দলাভের উদ্দেশ্যেই তারা খেলাধুলায় মগ্ন হয়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের শিশুদের খেলা থেকে সাহিত্য ও খেলার একটাই উদ্দেশ্য পাই, তা হলো আনন্দলাভ করা। তাই বলা যায়, 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্য অভিন্ন। সুতরাং উক্তিটি যুক্তিসংগত ও সঠিক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘স্কুল মাঠে একদল…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”