A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শার্ক → ইলিশ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস🔢 সৃজনশীল নং ৫৭🏢 প্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শার্ক → ইলিশ →R

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর, সমস্ত জলচর, স্থলচর ও খেচর প্রাণীদের মধ্যে যে জিনগত, প্রজাতিগত ও বাস্তুসংস্থানগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাই হলো প্রাণিবৈচিত্র্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিলোম ও হিমোসিলের পার্থক্য নিম্নরূপ-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রথম দুইটি প্রাণী বলতে যথাক্রমে শার্ক ও ইলিশকে নির্দেশ করা হয়েছে। শার্ক ও ইলিশ যথাক্রমে তরুণাস্থিময় মাছ ও অস্থিময় মাছ। প্রাণী দুটি কর্ডাটা পর্বের ভার্টিব্রাটা উপপর্বের অন্তর্গত এবং এদের শ্রেণিদ্বয় হলো যথাক্রমে Chondrichthyes ও Actinopterygii। উল্লিখিত প্রাণীদ্বয়ের এক নয় যা বিশ্লেষণ করা হলো, তরুণাস্থিময় মাছের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থি নির্মিত কিন্তু অস্থিনির্মিত মাছের অন্তঃকঙ্কাল অস্থিনির্মিত। তরুণাস্থিময় মাছের দেহ প্ল্যাকয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত হলেও অস্থিময় মাছের দেহে সাইক্লয়েড, টিনয়েড বা গ্যানয়েড আঁইশে আবৃত। তরুণাস্থিময় মাছের অঙ্কীয় তলে মুখছিদ্র অবস্থিত এবং ৫-৭ জোড়া উন্মুক্ত ফুলকারন্ধ্র বিদ্যমান । পক্ষান্তরে অস্থিময় মাছের মুখছিদ্র প্রান্তীয় এবং চারজোড়া ফুলকা বিদ্যমান । তরুণাস্থিময় মাছের কানকোয়া নেই যা অস্থিময় মাছে আছে। এছাড়া তরুণাস্থিময় মাছের পুচ্ছপাখনা হেটেরোসার্কাল ধরনের হলেও অস্থিময় মাছের পুচ্ছপাখনা হোমোসার্কাল ধরনের হয়।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ২নং ও ৩নং প্রাণীদ্বয় কর্ডাটা পর্বের ভার্টিব্রাটা উপপর্বের হলেও তাদের শ্রেণিতাত্ত্বিক ভিন্নতা রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের R প্রাণীটির শ্রেণি হলো সার্কোপটেরিজি বা প্রাচীন অস্থিময় মাছ। এ শ্রেণিভুক্ত মাছকে পিণ্ডাকার-পাখনাবিশিষ্ট মাছ বলা হয়। এ শ্রেণির বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

১. দেহ গ্যানয়েড ধরনের আঁইশে আবৃত।

২. এন্ডোকড্রাল উৎস সম্পন্ন অস্থিনির্মিত অন্তঃকঙ্কাল।

৩. এদের দেহে পিণ্ডাকার যুগ্ম পাখনা বিদ্যমান ।

৪. লেজ ডাইফাইসার্কাল ধরনের অর্থাৎ পুচ্ছ পাখনার অংশ দুটি একীভূত হয়ে অভিন্ন ও নমনীয় পাখনা হিসেবে লেজ ঘিরে অবস্থিত।

৫. মাথার দুপাশে অস্থিময় আর্চ সমর্থিত ফুলকা থাকে যা কানকো দিয়ে আবৃত৷ 

৬. এদের পটকা রক্তজালিকা-সমৃদ্ধ এবং শ্বসন ও ভেসে থাকতে সাহায্য করে।

৭. চোয়ালে প্রকৃত এনামেল আবৃত দাঁত বিদ্যমান। 

৮. একলিঙ্গ প্রাণী; বহিঃনিষেক বা অন্তঃনিষেক ঘটে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শার্ক → ইলিশ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৪ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”