A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শ্বাসরঞ্জন না থাকায়…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৮৪🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শ্বাসরঞ্জন না থাকায় পতঙ্গ বিশেষ ধরনের নালি দ্বারা গঠিত তন্ত্রের মাধ্যমে কোষ পর্যন্ত অক্সিজেন পৌছে দেয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িং এর পৌষ্টিক নালির অগ্রঅন্ত্র ও মধ্য অন্ত্রের সংযোগস্থলে ছয় জোড়া ফাঁপা, লম্বা ও মোচাকৃতির থলি থাকে তাদের গ্যাস্ট্রিকসিকা বা হেপাটিক সিকা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং এবং বিশেষ ধরনের নালি শ্বসনতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। ট্রাকিয়ালতন্ত্রের মাধ্যমেই ঘাসফড়িং শ্বসনকার্য সম্পন্ন করে।নিচে নালিটির অর্থাৎ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো-

১. শ্বাসরন্দ্র: ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়।

২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে।

৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে।

৪. বায়ুথলি: ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং, যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোরিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2 পরিবহন করতে পারে না। O2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে।

অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ফলে পানি থেকে রক্তে O2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে 'পানিতে CO2 মুক্ত হয়। O2 এবং CO2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2 'যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবি বরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শ্বাসরঞ্জন না থাকায়…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”