A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শীম বীজের মতো…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — বর্জ্য ও নিষ্কাশন🔢 সৃজনশীল নং ৭🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শীম বীজের মতো দেখতে মানবদেহের একজোড়া অঙ্গ প্রতিনিয়ত অম্লধর্মী তরল বর্জ্য সৃষ্টি ও অপসারণ করে মানব শরীরকে বিষমুক্ত রাখে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ADH (Antidiuretic Hormone) হলো পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খন্ড থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দেহকোষের অন্তঃপরিবেশ ও বহিঃপরিবেশের মধ্যে অভিস্রবণিক চাপের সমতাকে অসমোরেগুলেশন বলে। মানবদেহে বৃক্ক অসমোরেগুলেশন প্রক্রিয়ায় পানি ও আয়নের সাম্যতা রক্ষা করে। অসমোরেগুলেশনের অভাবে কোষের মৃত্যু, অ্যাসিডোসিস, রক্তে নাইট্রোজেনের আধিক্য দেখা দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্রটি হলো মানুষের বৃক্কের লম্বচ্ছেদের চিত্র। বৃক্কের একক হলো নেফ্রন। নিচে এর চিহ্নিত চিত্র দেয়া হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিম বীজ আকৃতির অঙ্গটি হলো মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ বৃক্ক। ইহা যে অম্লীয় তরল বর্জ্য অপসারণ করে দেহ থেকে তা হলো মূত্র। নিচে মূত্র উৎপাদনের কৌশল ব্যাখ্যা করা হলো- আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকের মাধ্যমে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ দিয়ে মূত্র সৃষ্টি হয়। মূত্র সৃষ্টির তিনটি ধাপ রয়েছে-

অতিপরিস্রাবণ: বৃক্কের একক নেফ্রনের রেনাল ক্যাপসুল অতিপরিস্রাবক রূপে কাজ করে। এখানে গ্লোমেরুলাস রক্তের হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপে রক্তের প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া সমস্ত পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড প্রভৃতি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় কৈশিক জালিকার এন্ডোথেলিয়াম ও ভিত্তি ঝিল্লি এবং রেনাল ক্যাপসুলের এপিথেলিয়াম ভেদ করে ক্যাপসুলার স্পেসে জমা করে। এ পরিসুত তরলকে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট বলে।

নির্বাচনমূলক পুনঃশোষণ: গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট নেফ্রনের নালিকার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দ্রব্য নেফ্রন প্রাচীরের কোষে শোষিত হয়ে সংলগ্ন কৈশিক জালিকায় প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে নির্বাচনমূলক পুনঃশোষণ বলে। নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকার কোষেই অধিকাংশ পুনঃশোষণ সংঘটিত হয়। এ প্রক্রিয়ার ফিলট্রেট থেকে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম ও সমস্ত গ্লুকোজ, ৬৫% পানি, ৫০% ইউরিয়া, অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন এবং ক্লোরাইড আয়ন শোষিত হয়।

সক্রিয় ক্ষরণ: নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকায় কৈশিক জালিকা থেকে কিছু অবাঞ্চিত বস্তু, যেমন- ক্রিয়েটিনিন ও সামান্য ইউরিয়া এর সক্রিয় ক্ষরণ সংঘটিত হয়। দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকাতেও হাইড্রোজেন, পটাসিয়াম ও অ্যামোনিয়াম আয়ন ক্ষরিত হয়। এসব পদার্থ নালিকার চারপাশে টিস্যু রস থেকে নালিকার ভেতরের ফিলট্রেটে বাহিত হয়। এই গ্লোমেরুলাস ফিলট্রেটই হলো মূত্র। ইহা মূত্রনালির মাধ্যমে দেহের বাইরে নিষ্কাশিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শীম বীজের মতো…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”