| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘শফিক ভেজা স্যাঁতসেঁতে…’ ঢাকা কলেজ ২০২৬ – ব্রায়োফাইটা ও টেরেডোফাইটা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

শফিক ভেজা স্যাঁতসেঁতে মাটি থেকে দুটি উদ্ভিদ ‘A’ এবং ‘B’ তুলে এনে দেখলো, ‘A’ সবুজ উদ্ভিদটির মূল, কাণ্ড, পাতা নেই কিন্তু দ্ব্যাগ্র শাখান্বিত থ্যাসাস আছে। ‘B’ উদ্ভিদটির ছাতাকৃতির অসবুজ দেহ, কিছু প্রজাতি খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উভয় উদ্ভিদে ফুল হয় না।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৬
দুটি ভিন্ন ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে যে প্রক্রিয়ায় কম ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ থেকে দ্রাবক অণুগুলো বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণে প্রবেশ করে তাই অভিস্রবণ।
একটি অ্যামিনো এসিডের কার্বোক্সিল গ্রুপ (COOH) অপর একটি অ্যামিনো এসিডের ৫-অ্যামাইনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে যে অ্যামাইড বন্ড গঠন করে তাকে Peptide Bond (পেপটাইড বন্ড) বলে। প্রতিটি পেপটাইড বন্ড তৈরিতে এক অণু পানি নির্গত হয়।
উদ্দীপকের 'A' উদ্ভিদটি হলো Riccia যা Bryophyta বিভাগের উদ্ভিদ। নিচে উদ্ভিদ গ্রুপটির অর্থাৎ ব্রায়োফাইটার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
১. ব্রায়োফাইটা বহুকোষী উদ্ভিদ। এরা অপুষ্পক ও অবীজী অর্থাৎ এদের ফুল, ফল ও বীজ হয় না।
২. ব্রায়োফাইটার প্রধান দেহ গ্যামেটোফাইটিক তথা হ্যাপস্নয়েড। গ্যামিটোফাইট স্বতন্ত্র ও স্বভোজী।
৩. নিম্নশ্রেণির ব্রায়োফাইট বিষমপৃষ্ঠীয় থ্যালাসবৎ (Riccia) ও উচ্চশ্রেণির দেহ নরম কান্ড ও পাতায় বিভক্ত (Semibarbula)।
৪. এদের দেহে কখনোই মূল থাকে না, তবে মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড ও কখনো কখনো বহুকোষী রোম বা শল্ক থাকে।
৫. এদের জননাঙ্গ জটিল ও বহুকোষী, একস্তর বিশিষ্ট বন্ধ্যা কোষের আবরণে আবৃত থাকে।
৬. এদের পুংজননাঙ্গকে অ্যান্থেরেডিয়াম ও স্ত্রীজননাঙ্গকে আর্কিগোনিয়াম বলে। অ্যাম্বেরেডিয়াম গোলাকার, নাসপাতি আকৃতির, বেলনাকার বা গদাকার ও. আর্কিগোনিয়াম ফ্লাস্ক আকৃতির হয়ে থাকে।
৭. এদের যৌনজনন উগ্যামাস প্রকৃতির। অর্থাৎ বড়ো নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের (ডিম্বাণু) সাথে ক্ষুদ্র ও সচল পুংগ্যামিটের (শুক্রাণুর) মিলন ঘটে। আমজাত
৮. নিষেকের ফলে সৃষ্ট ডিপস্নয়েড ডিম্বাণু বা উস্পোর থেকে ব্রায়োফাইটে বহুকোষী ভূণ গঠিত হয় এবং স্ত্রী জননাঙ্গের অভ্যন্তরে থাকে। ন
৯. নিম্নশ্রোণির ব্রায়োফাইটার স্পোরোফাইট খুবই সরল এবং একটি স্পোর থলি নিয়ে গঠিত। উন্নত ব্রায়োফাইটের স্পোরোফাইট পদ, সিটা ও ক্যাপসিউলে বিভক্ত।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' উদ্ভিদটি Agaricus নামক ছত্রাক যা দেখতে ব্যাঙের ছাতার মতো। এরা সাধারণত মাশরুম নামে পরিচিত। নিচে Agaricus এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
Agaricus অর্থনৈতিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দুটি প্রজাতি ছাড়া Agaricus এর সকল প্রজাতিকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। A. brunnescens এবং A. bitorquis সারাবিশ্বে ব্যাপক পরিমাণে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। এছাড়া অন্য একটি ভক্ষণযোগ্য মেঠো ছত্রাক হলো A. campestris। সমগ্র বিশ্বে মাশরুমের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং এর সহজ উৎপাদন পদ্ধতি থাকাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। মাশরুমের ওষুধি মূল্য বহুবিধ। যেমন- এটা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এটি ডায়াবেটিক রোগীর আদর্শ খাবার। নিয়মিত খেলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ নিরাময় হয়। দাঁত ও হাড় গঠনে কার্যকর। ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে। চুলপাকা ও চুলপড়া প্রতিরোধ করে। Agaricus মাধ্যমের জটিল যৌগগুলোকে ভেঙে মাটিকে উর্বর করে তোলে। Agaricus xanthodermus এবং A. silircola বেশ বিষাক্ত কিন্তু প্রাণঘাতী নয়। তবে অন্যান্য মাশরুম অধিক বিষাক্ত যা খেলে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। মাশরুম যেখানে জন্মায় সেখানে জৈব বস্তুর ঘাটতি দেখা দেয়। এছাড়া গাছের গুঁড়ি, খড় ও বাঁশের ওপর জন্মে এগুলোর প্রভূত ক্ষতি করে।