A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার…’ সিলেট সরকারি কলেজ ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ১১৪🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট সরকারি কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন বাশার সেনানিবাস পরিত্যাগ করে হালিশহরে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনী এদেশীয় দালাল মারফত তাঁর অবস্থান শনাক্ত করলে তিনি ধৃত হন। তাঁকে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয় এবং অমানুষিক নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে ব্যর্থ হয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরকম নির্যাতনেও দমে যায়নি মুক্তিপাগল বাংলার মানুষ। মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলে এদেশ স্বাধীন হয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার হলওয়েল।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• "ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"- উমিচাঁদ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ইংরেজদের পালানো প্রসঙ্গে এই কথাটি হলওয়েলকে বলেছিলেন।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজরা নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে জেনে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে ইংরেজ সেনারা পরাজিত হয় এবং গভর্নর রজার ড্রেক, ক্যাপ্টেন ক্লেটনসহ অনেক ইংরেজ পালিয়ে যায়। অথচ ব্রিটিশরা নিজেদের অত্যন্ত বীর বলে অহংকার বোধ করে। উমিচাঁদ সেই কথা মনে করে বিদুপের স্বরে বলেছেন- "ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকের এ দেশীয় দালালদের প্রতিনিধিত্ব করে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ।
• বিশ্বাসঘাতকরা দেশ ও জাতির সবচেয়ে বড় শত্রু। তারা নিজেদের স্বার্থে দেশ ও জাতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতেও পিছপা হয় না।
• উদ্দীপকে এ দেশীয় দালাল বলতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে 'সিরাজউদ্দৌলা'
নাটকেও এমন কিছু চরিত্র আছে যারা দেশের পক্ষে কাজ না করে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলায় এবং দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। বিশেষ করে মিরজাফর, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ নিজেদের স্বার্থে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলায় এবং দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এভাবে উদ্দীপকের এ দেশীয় দালাল হলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• "উদ্দীপকের জনতার সম্মিলিত সংগ্রামে এদেশ স্বাধীন হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রতিরোধ না করে লোকজন মুর্শিদাবাদ ছেড়ে পালিয়েছে।"- উক্তিটি সত্য।
• যারা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা নিজেদের স্বার্থে মানুষকে স্বাধীনতার সুখ থেকে বঞ্চিত করে।
• উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্মিলিত জনতার সংগ্রামের ফলে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। এ দেশের মুক্তিকামী জনতা সংঘবদ্ধভাবে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং এ দেশ স্বাধীন হয়।
পক্ষান্তরে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার জনতা সম্মিলিতভাবে মিরজাফরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ না করে মুর্শিদাবাদ ছেড়ে পালিয়েছিল। মিরজাফর এবং তার অনুসারীরা নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। দেশ ও দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেও প্রজারা চুপ ছিল।
• উদ্দীপকে বাংলার মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টা বা সংগ্রামের
ফলে এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রজারা দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক মিরজাফরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তুলে তারা মুর্শিদাবাদ ছেড়ে পালিয়েছিল। তারা যদি মুর্শিদাবাদ ছেড়ে পালিয়ে না গিয়ে মিরজাফরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলত, তাহলে ফলাফল ভিন্ন হতো। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সত্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার…’ সিলেট সরকারি কলেজ ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”