A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শহিদের পুণ্য রক্তে…’ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ২৪🏢 প্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটি

বাঙালির প্রাণের আবেগ আজ

পুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দর

গঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রাম

ধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুল

হয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতা

আর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা' বলতে কবি পূর্ব বাংলার সর্বত্র শত্রুর আধিপত্য বিস্তারকে বুঝিয়েছেন।
• 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি '৫২-এর ভাষা আন্দোলনের প্রেরণায় ১৯৬৯-এ গণআন্দোলন শুরু হওয়ার কথা বলেছেন। শাসকগোষ্ঠী তৎকালীন পূর্ব বাংলার মানুষকে নানাভাবে শাসন-শোষণ করেছে। তারা এ দেশে বসেই এ দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে। নির্বিচারে মানুষ হত্যার মাধমে তারা বাঙালির স্বাধীনতার স্পৃহাকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল। তারা পুরো দেশেই তাদের অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। এই কারণে কবি এই দেশকে 'ঘাতকের অশুভ আস্তানা' বলেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সংগ্রামী ইতিহাসের চেতনার মিল রয়েছে।
• বাংলাদেশের ইতিহাস বহু বৈচিত্র্যময় ঘটনার সমন্বয়ে গঠিত। ভাষা আন্দোলনের সফলতা অর্জনের অনুপ্রেরণায় বাঙালি একে একে বাষট্টি, উনসত্তর পার হয়ে একাত্তরে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
• উদ্দীপকে শহিদের রক্তকে বুকে ধারণ করে সাত কোটি বাঙালির প্রাণের আবেগে যে পুষ্পিত সৌরভ ফুটেছিল তার চিত্রটি অঙ্কিত হয়েছে। এর ফলে যে প্রতিবাদের ধারা বাংলার নগর, বন্দর, গঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফুল হয়ে ফোটে, সেই প্রাণময় কবিতার কথা উদ্দীপকের কবি বলেছেন। অন্যদিকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও কবি বাংলার সংগ্রামী ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোকে ধারণ করে কবিতায় সাজিয়েছেন। সেখানে ১৯৫২ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রামের নানা ঘটনা ব্যক্ত হয়েছে। শহিদদের রক্ত যেন সেখানে অবিনাশী বর্ণমালা। তাঁদের এই পুণ্যরক্ত কীভাবে মানুষকে বিপ্লবে আকৃষ্ট করে রাস্তায় নামিয়েছে সেই দিকটি প্রতিফলিত। এভাবে উদ্দীপকটির সঙ্গে কবিতার সংগ্রামী ইতিহাস চেতনার দিকটির মিল রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• "উদ্দীপকটির কবি এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যথার্থ।
• বাঙালি জাতির ওপর যখনই কোনো অন্যায়-অত্যাচার-নিপীড়ন নেমে এসেছে, তখনই তারা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। ১৯৫২, '৬২, '৬৬, ৬৯ একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বাঙালির দুঃসাহসিক জয়যাত্রাকেই নির্দেশ করে।
• উদ্দীপকে শহিদদের রক্তকে ধারণ করে সাত কোটি বাঙালির প্রাণের আবেগ পুষ্পিত সৌরভে পরিণত হয়েছে। যার ফলে বাংলার নগর, বন্দর, গঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামের ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষগুলো যেন একেকটি ফুল হয়ে ফোটে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও সংগ্রামী ইতিহাসকে ধারণ করে শহিদের পুণ্যরক্ত যেন কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে শহরের পথে পথে থরে থরে ফুটে রয়েছে। শহিদদের রক্তে রঞ্জিত এই ফুল যেন হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের প্রতীক। আর সেই ফুল উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে।
• 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান নানা অনুষঙ্গে সংগ্রামী চেতনা ও স্বদেশপ্রেমের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল সেই পটভূমি তিনি তুলে ধরেছেন বাংলার সংগ্রামী ইতিহাসের আলোকে। উদ্দীপকটির কবির চেতনায়ও ঠিক একই দিক লক্ষণীয়। এখানেও শহিদদের পুণ্য রক্তকে বুকে ধারণ করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিবাদের একেকটি ফুল হয়ে ফুটে উঠেছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শহিদের পুণ্য রক্তে…’ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”