A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শহিদের পুণ্য রক্তে…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ৫🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটি

বাঙালির প্রাণের আবেগ আজ

পুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দর

গঞ্জ, বাঘটি হাজার গ্রাম

ধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুল

হয়ে ফোঁটে। প্রাণময় মহৎ কবিতা

আর কোথাও দেখি না এর চেয়ে। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে বরকত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

‘নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশি বর্ণমালা’ বলতে আমাদের রাষ্ট্রভাষার স্মারকচিহ্নের অমরত্বকে বোঝানো হয়েছে। বর্ণমালা ভাষার স্মারকচিহ্ন; আর রাষ্ট্রভাষা বাংলা ও বাংলার বর্ণমালা আমাদের অবিস্মরণীয় এক অর্জন। সে কারণে এই চিহ্ন কোনভাবেই ধূলিত হবে না। যুগ যুগ ধরে আমাদের চেতনার মধ্যে এ চিহ্ন বেঁচে থাকবে। এ কারণে কবি বর্ণমালার ঐ চিহ্নকে অবিনাশী বলে নক্ষত্রের সাথে তুলনা করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষের সংগ্রামের দিকটি এবং আত্মত্যাগ ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের পংক্তি গুলোতে, দেশের প্রতি শহীদদের ভালবাসা তাদের আত্মত্যাগের কথা ফুটে উঠেছে। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা এ ভাষা এ সাক্ষী এখনো এই প্রকৃতি।

 

'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমরা দেখতে পাই জাতিগত শোষণ নিপীড়নের শিকার বাংলার সাধারণ মানুষ। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সকলে। সব যখন সহ্যের বাইরে চলে গেছে তখন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে জনতা। দেশের নানা প্রান্তের মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। এতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ পায়। অতএব, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শোষণের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল সে দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ভাবনা এবং ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ এর চেতনা একই সূত্রে গাথা।

১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, কবিতাটি সেই গণজাগরণের পটভূমিতে রচিত। ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ক্রমধারায় ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ১৯৬৯ সালে ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ভাষার জন্য যাঁরা রক্ত দিয়েছিল তাঁদের ত্যাগ মহিমা-চেতনা- দেন। মূর্ত হয়ে ওঠে কৃষ্ণচূড়ার স্তবকে স্তবকে। এই চেতনাই এদেশের জনসাধারণকে সংগ্রামী করে তোলে। জাতিগত শোষণ, নিপীড়ন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এদেশের মানুষ ১৯৬৯ -এ। কবিতায় দেশমাতৃকার প্রতি জনতার বিপুল ভালোবাসা সংবর্ধিত হয়েছে।

উদ্দীপকেও কবিতার মাধ্যমে অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলা সাধারণ মানুষের একবদ্ধ হয়ে লড়াই করা। তাদের স্বাধীনচেতা মনোভাব এবং ভাষার জন্য রক্ত দেওয়া। শহীদদের আত্মত্যাগ যেন আজও ইতিহাসের সাক্ষী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শহিদের পুণ্য রক্তে…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”