A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শিক্ষিত মেয়ে রাশেদা…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ১০১🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শিক্ষিত মেয়ে রাশেদা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে এসে দেখতে পায় গ্রামের লোকেরা নানা কু-সংস্কারে আচ্ছন্ন। অশিক্ষিত ও সরল ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো নানাভাবে সিরাজ মাতব্বরের শোষণের শিকার। পূর্বপুরুষের একটি কবরকে মাজার ঘোষণা দিয়ে ভয় দেখিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষদের শোষণ করে। নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নেয় এবং নারীকে ঘরে বন্দি থাকতে বাধ্য করে। এসব দেখে রাশেদা প্রতিবাদী হয়ে উঠে। একদিন সিরাজ এক নিরীহ নারীকে অপবাদ দিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে রাশেদা তারও বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। তার সাহস আর দৃঢ়তায় গ্রামের মানুষজন একত্রিত হয় এবং সিরাজের ভণ্ডামি ও ষড়যন্ত্রের মুখোশ খুলে দেয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আক্কাস মহব্বতনগর গ্রামে স্কুল খুলতে চায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে"- এ উক্তিটির মাধ্যমে মজিদের জন্মস্থানের অভাবী মানুষের ধর্মানুভূতি ও তাদের দুরবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ অভাবের কারণে নিজের' এলাকা ছেড়ে ঘুরতে ঘুরতে মহব্বতনগর গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। সেখানে তথাকথিত মোদাচ্ছের পিরের মাজারকে কেন্দ্র করে নিজের ধর্মীয় ব্যাবসা শুরু করে। সে তার অঞ্চলের কথা ভুলতে পারে না। সেখানে ক্ষুধার্ত মানুষ এলেম শিক্ষা করে। ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়া মানুষের কাছে সেই এলেম ম্লান হয়ে আসে। শস্যশূন্য দেশ, দীনতা আর অসহায়তায় ক্ষীণতর হয়ে ওঠে মানুষ। তাদের পেটে ক্ষুধা। সেই ক্ষুধা তাদের এতটাই প্রকট হয়ে ওঠে যে, খোদার এলেমে তাদের বুক আর তৃপ্ত হয় না। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে এ কথাই বোঝানো হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার কারণে উদ্দীপকে রাশেদা 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়।
'লালসালু' উপন্যাসে জমিলা একটি প্রতিবাদী চরিত্র। সে ভন্ড ও কপট মজিদের অন্যায় সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়নি। বরং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মজিদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। মজিদ, জোর করে জমিলাকে নিজের বশে আনার চেষ্টা করেছে। সে রহিমাকে দিয়ে জমিলার, আচার-আচরণের পরিবর্তন আনার চেষ্টাও চালিয়েছে। মহব্বতনগর গ্রামের সবাই মজিদকে মান্য করলেও কিশোরী জমিলা তা করেনি।
উদ্দীপকের শিক্ষিত মেয়ে রাশেদা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে এসে দেখতে পায় গ্রামের লোকেরা নানা কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। অশিক্ষিত ও সরল ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো নানাভাবে সিরাজ মাতব্বরের শোষণের শিকার। মাজারের দোহাই দিয়ে সে মানুষদের ভয় দেখায় এবং নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নেয়। ফলে রাশেদা সিরাজ মাতব্বরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। রাশেদার এমন প্রতিবাদী মনোভাব 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার মধ্যেও লক্ষ করা যায়। মজিদ অসম বয়সের জমিলাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে ঘরে নিয়ে এলে মজিদের অন্যায় আচরণে সে ক্ষুব্ধ হয়। মজিদের অন্যায় সিদ্ধান্তকে সে মেনে নেয়নি, বরং তার মুখে রাগে-ক্ষোভে থুথু নিক্ষেপ করেছে। মজিদের শক্তির উৎস মাজারেও সে পা লাগিয়েছে। এভাবে 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের বিরুদ্ধে জমিলার প্রতিবাদ লক্ষ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের নানা দিক উঠে আসায় "উদ্দীপকে মহব্বতনগর গ্রামের সমাজচিত্র অনেকখানি প্রতিফলিত হয়েছে" মন্তব্যটি যথার্থ।
'লালসালু' উপন্যাসে অশিক্ষিত ও সরল ধর্মপ্রাণ মানুষের জীবনযাপন তুলে ধরা হয়েছে। 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষ অন্ধবিশ্বাসী ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তারা পীর মাজার, পানিপড়া, ঝাঁড়ফুঁক, তাবিজে বিম্বাস করে। এর ফলে মজিদ অতিসহজেই বোকা বানিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করেছে। গ্রামের মানুষকে অন্ধবিশ্বাস ও এবং মাজারের ভয় দেখিয়ে তাদেরকে শোষণ করেছে।
উদ্দীপকে এমন একটি সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে যারা অশিক্ষিত, কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ও সরল ধর্মপ্রাণ। ফলে সিরাজ মাতব্বর তাদেরকে সহজেই শোষণ করতে পেরেছে। পূর্বপুরুষের একটি কবরকে মাজার ঘোষণা দিয়ে তাদের ভয় দেখিয়েছে। নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নেয় ও তাদেরকে ঘরে বন্দি থাকতেও বাধ্য করে সিরাজ। অন্যদিকে 'লালসালু' উপন্যাসে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষগুলোও অশিক্ষিত ও অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন। ফলে মজিদ ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে, তাদেরকে কাবু করেছে। পরিত্যক্ত কবরকে কথিত মোদাচ্ছের পিরের মাজার বানিয়ে গ্রামের মানুষগুলোকে ভয় দেখিয়ে স্বার্থ হাসিল করেছে সেই মজিদ।
'লালসালু' উপন্যাসে একদিকে রয়েছে কুসংস্কারাচ্ছন্ন, ধর্মভীরু, শোষিত, দরিদ্র গ্রামবাসীর সরলতা, অন্যদিকে রয়েছে শঠ, প্রতারক, ধর্মব্যবসায়ী ও শোষক মজিদের কর্মকাণ্ড। গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ প্রতারণার জাল বিস্তার করে গ্রামের মানুষগুলোকে শাসন ও শোষণ করেছে। উপন্যাসের এমন সমাজচিত্রই উদ্দীপকের বর্ণনায় ফুটে উঠেছে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শিক্ষিত মেয়ে রাশেদা…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”