A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শিক্ষক ক্লাসে বললেন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৮২🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শিক্ষক ক্লাসে বললেন যে প্রোটিন, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক হয় আমাদের পরিপাকতন্ত্রের ৬ – ৭ মি. লম্বা প্যাঁচানো নালিতে। আর সর্ববৃহৎ পরিপাক গ্রন্থিতে এদের বিপাকীয় কার্যাবলি সংঘটিত হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানুষের দাঁত দু'বার গজায়। প্রথমবার শিশুকাল ২০টি দুধ দাঁত ওঠে, দ্বিতীয়বার দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে ৮ ১০ বছরের মধ্যে স্থায়ী দাঁত ওঠে। দাঁত দু'বার গজায় বলে মানুষের দাঁতকে ডাইফায়োডন্ট বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অগ্ন্যাশয়ের গ্রন্থিকোষগুলো ছোট ছোট নালিকার প্রান্তে আঙুরের গোছার মতো সজ্জিত বহিঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর বাইরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বহুকোণাকৃতি কোষের পুঞ্জ একত্রিত হয়ে যে অন্তঃকরা গ্রন্থিসমূহ গঠন করে তাদেরকে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স বলে। প্রতিটি পুঞ্জে তিন প্রকার কোষ থাকে। যথা- আলফা কোষ, যা গ্লুকাগন নামক হরমোনটি ক্ষরণ করে, বিটা কোষ, যা ইনসুলিন ক্ষরণ করে এবং ডেল্টা কোষ যা গ্যাসট্রিন ক্ষরণ করে। এ গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনসমূহ খাদ্য পরিপাকে এবং শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত ৬-৭ মি. লম্বা প্যাঁচানো নালিটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্র এবং প্রথম ধরনের খাদ্যটি হলো প্রোটিন বা আমিষ। নিচে ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-

যান্ত্রিক পরিপাক: মিউসিন খাদ্যকে পিচ্ছিল করে, পিত্তরস জীবাণুর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। পিত্তলবণগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের পেশি সংকোচন বাড়িয়ে খাদ্যের গতিকে বৃদ্ধি করে।
রাসায়নিক পরিপাক: ক্ষুদ্রান্ত্রে অগ্ন্যাশয় রস থেকে নিঃসৃত এনজাইমগুলো হলো- ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, অ্যামিনোপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ, ইলাস্টেজ। এরা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।

আন্ত্রিক রসের অ্যামিনোপেপটাইডেজ পলিপেপটাইডকে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে আমিষ জাতীয় খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক সম্পন্ন কর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত সর্ববৃহৎ পরিপাক গ্রন্থি বলতে মানবদেহের সবচেয়ে বড়ো গ্রন্থি যকৃৎ কে বুঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয় খাদ্যটি হলো শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট। শর্করা বিপাকে যকৃৎ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১. গ্লাইকোজেনেসিস: যকৃৎ গ্যালাক্টোজ, ফ্রুক্টোজসহ সমস্ত হেক্সোজ চিনিকে গ্লুকোজে পরিবর্তিত করে গ্লাইকোজেন নামক অদ্রবণীয় পলিস্যাকারাইড হিসেবে জমা রাখে। গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন রূপান্তর প্রক্রিয়াটিকে গ্লাইকোজেনেসিস বলে। প্রক্রিয়াটি ইনসুলিনের উপস্থিতিতে উদ্দীপ্ত হয়।

২. গ্লুকোনিয়োজেনেসিস: গ্লুকোজের চাহিদার তুলনায় যদি গ্লাইকোজেনের ঘাটতি হয়, তখন নন-কার্বোহাইড্রেট (অশর্করা) উৎস যেমন- অ্যামিনো এসিড, ল্যাকটিক এসিড, পাইরুভিক এসিড এবং গ্লিসারল থেকে গ্লুকোনিয়োজেনেসিস প্রক্রিয়ায় যকৃতে গ্লুকোজ বা গ্লাইকোজেন সংশ্লেষিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি গ্লুকাগন হরমোন দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়।

৩. গ্লাইকোজেনোলাইসিস: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস পেলে দেহের প্রয়োজনে অনেক সময় যকৃৎ গ্লাইকোজেনোলাইসিস প্রক্রিয়ায় সঞ্চিত 'গ্লাইকোজেনের বিপাক ঘটিয়ে গ্লুকোজ তৈরি করে শক্তির চাহিদা পূরণ করে।

৪. লাইপোজেনেসিস: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় অতি মাত্রায় বেড়ে গেলে যকৃৎ লাইপোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবে অতিরিক্ত গ্লুকোজকে ট্রাইগ্লিসারাইডে পরিণত করে। যা কোষে চর্বি হিসেবে জমা থাকে।

৫. যকৃৎ ক্ৰেবস চক্রের মাধ্যমে শর্করার বিপাক ঘটিয়ে CO2, পানি ও প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে।

৬. যকৃৎ রক্তে গ্লুকোজের ভারসাম্য রক্ষা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শিক্ষক ক্লাসে বললেন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”