A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগুলো…’ ঢাকা সিটি কলেজ ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৭৫🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা সিটি কলেজ📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধान আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতির দুর্যোগের সময় এরা লোকমান ফকিরের সাহায্য কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরে হয়তো অভাব আছে কিন্তু দুঃখকষ্ট আছে কি না তা বোঝা দায় তবে যেটুকু দুঃখ আসে তার কারণ লোকমানের মতো প্রতারক শ্রেণির মানুষ। গ্রামের সকল মানুষ ধর্মপ্রাণ কিন্তু শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা তাদের ঠকায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হাসপাতালটি করিমগঞ্জে অবস্থিত ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রুফ রিড

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অন্ধ ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থায় বিশ্বাসের দিক থেকে উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতনগর গ্রামের মানুষদের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় ।

আলোচ্য উপন্যাসের মূল বিষয় হলো মহব্বতনগর গ্রামে মজিদ প্রবেশ করে ধর্মপরায়ণ মানুষকে প্রতারিত করে সমাজে একটি প্রভাব বিস্তার করে। ধনসম্পদ বৃদ্ধি পাওয়ায় মজিদ বাড়িঘর করে, রহিমা নামক একটি মেয়েকে বিয়েও করে। এই গ্রামের মানুষজন ফসলের মাঠে গলা ছেড়ে গান গায় । এখানে মানুষের মধ্যে ধর্মচর্চা কম থাকলেও ধনসম্পদ ভালোই ছিল । গ্রামের মানুষগুলো রহিমার মতো ধর্মভীরু ও ঠান্ডা প্রকৃতির ।

উদ্দীপকের গ্রামের মানুষগুলো খুবই পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে । তাদের ফসলের মাঠ থেকে সুরের মুর্ছনা ভেসে আসে । তবে গ্রামে কিছু মানুষের মধ্যে কষ্টও আছে। আর এই কষ্টের মূল কারণ লোকমানের মতো প্রতারক কিছু মানুষ। ধর্ম ও শিক্ষার অভাব থাকায় এ ধরনের প্রতারকরা তাদের ঠকায়। ‘লালসালু' উপন্যাসেও মানুষের মধ্যে ধর্ম ও শিক্ষার অভাব থাকায় মজিদের মতো প্রতারকেরা তাদেরকে ঠকায় 1 মহব্বতনগর গ্রামের মানুষও গলা ছেড়ে গান গায়। মানুষের মধ্যে সরলতা বিদ্যমান। কুসংস্কারের কারণে মানুষ মজিদের কাছে সন্তান কামনা করে, পানি পড়া খায়। অর্থাৎ দেখা যায় উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতননগর গ্রামের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকদের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পায় যা উদ্দীপক এবং ‘লালসালু' উপন্যাসে দৃশ্যমান । মজিদকে সকলেই মহব্বতনগর গ্রামের মোদাচ্ছের পীরের খাদেম হিসেবে মানে। মূলত সে মানুষের ধর্ম ও শিক্ষার অভাবকে কাজে লাগিয়ে মজিদ গ্রামে মোদাচ্ছের নামক ভুয়া পীরের কৃত্রিম মাজার তৈরি করে। ধীরে ধীরে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। গ্রামের মানুষজন ধর্ম সম্পর্কে ভালো জানে না বলে মজিদ তাদের প্রতারিত করে বেশ ধনসম্পদের মালিক হয়ে ওঠে ।

আক্কাস স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে মজিদ তার ধর্মব্যাবসার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হতে পারে ভেবে গ্রামের মুরব্বিদের ভুল বুঝিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠায় বাধা দেয়। উদ্দীপকের গ্রামের মানুষগুলো খুবই পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে । তাদের ফসলের মাঠ থেকে সুরের মুর্ছনা ভেসে আসে। প্রাকৃতির দুর্যোগের সময় বিপদের মোকাবিলা করার জন্য তারা ফকির লোকমানের কাছে যায়। তবে গ্রামে কিছু মানুষের মধ্যে কষ্টও আছে। আর এই কষ্টের মূল কারণ লোকমানের মতো প্রতারক কিছু মানুষ ।

‘লালসালু' উপন্যাসের মধ্যে দেখা যায় মহব্বতনগর গ্রামের মানুষজন তাদের বিপদআপদে মাজারে যেত, মজিদের পানি পড়া খেত, তাবিজ-কবজ ধারণ করত। উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের মানুষগুলোর মধ্যেও কোনো শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকায় দুর্যোগের সময় তারা ফকিরের কাছে যায় ফলে লোকমান ফকিরের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়। আসলে, মানুষের মধ্যে শিক্ষার অভাব থাকায় এবং ধর্মীয় জ্ঞান না থাকায় উদ্দীপকে লোকমান ফকির এবং উপন্যাসের মজিদের মধ্যে দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগুলো…’ ঢাকা সিটি কলেজ ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”