| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘শরীফ সাহেবের দুই…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৭ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

শরীফ সাহেবের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বয়স বাড়ার পর তিনি লক্ষ করলেন যে তার দুই ছেলে বর্ণান্ধ হলেও মেয়েটি স্বাভাবিক দৃষ্টি সম্পন্ন।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১১
পেশিতন্তু বা পেশিকোষের আবরণই হলো সারকোলেমা।
একটি জিন যখন অন্য একটি নন-অ্যালিলিক জিনের কার্যকারিতা প্রকাশে বাধা দেয় তখন এ ঘটনাকে এপিস্ট্যাসিস বলে। যে জিনটি অপর জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয় তাকে এপিস্ট্যাটিক জিন এবং বাধাপ্রাপ্ত জিনটিকে হাইপোস্ট্যাটিক জিন বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শরীফ সাহেবের একমাত্র মেয়ে স্বাভাবিক হলেও দুই পুত্র বর্ণান্ধ। এ থেকে বোঝা যায় যে, শরীফ সাহেব নিজে স্বাভাবিক কিন্তু তার স্ত্রী বর্ণান্ধ। নিচে বিষয়টি জিনতত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-
ধরি, লাল-সবুজ বর্ণান্ধতার জন্য দায়ী প্রচ্ছন্ন জিন b এবং স্বাভাবিক দৃষ্টির জন্য তার প্রকট অ্যালিল B
সুতরাং শরীফ সাহেবের জিনোটাইপ - XBY
এবং শরীফ সাহেবের স্ত্রীর জিনোটাইপ- XbXb।
তাদের মধ্যে মিলনে নিম্নরূপে পুত্র ও কন্যা জন্ম নিবে-
অর্থাৎ শরীফ সাহেব দম্পতির পুত্ররা বর্ণান্ধ হয় এবং মেয়েটি স্বাভাবিক হলেও বর্ণান্ধ বাহক। অতএব, শরীফ সাহেব এবং তার স্ত্রীর জিনোটাইপ যথাক্রমে XBY এবং XBXB ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শরীফ সাহেবের মেয়েটি বর্ণান্ধ বাহক কিন্তু স্বাভাবিক দৃষ্টি সম্পন্ন। তার সাথে স্বাভাবিক দৃষ্টি সম্পন্ন পুরুষের বিয়ে হলে নিম্নোক্তভাবে তাদের সন্তানদের জিনোটাইপিক ও ফিনোটাইপিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটবে-
ধরি, লাল-সবুজ বর্ণান্ধতার জন্য দায়ী জিন = b
স্বাভাবিক দৃষ্টির জন্য দায়ী জিন = B
অর্থাৎ উক্ত দম্পতির সন্তানদের মধ্যে একজন (বর্ণান্ধ বাহক) স্বাভাবিক কন্যা, একজন স্বাভাবিক কন্যা, একজন বর্ণান্ধ পুত্র ও একজন স্বাভাবিক পুত্র সন্তান হবে।