A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শ্রেণিবৈশিষ্ট্যবৃষ্টিপাত – কসাধারণত…’ ঢাকা বোর্ড ২০২১ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক🔢 সৃজনশীল নং ৯🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।
শ্রেণি বৈশিষ্ট্য
বৃষ্টিপাত – ক সাধারণত নিরক্ষীয় অঞ্চলে হয়ে থাকে 
বৃষ্টিপাত – খ পাহাড়ের প্রতিবাত ঢালে হয়
✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

স্বাভাবিকভাবে ভাসমান মেঘ ঘনীভূত হয়ে পানির ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বৃষ্টিপাত বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে। বায়ু নির্দিষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। কিন্তু বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তার জলীয়বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। সে পরিমাণ জলীয়বাষ্প বায়ুতে থাকলে বায়ু আর অধিক জলীয়বাষ্প গ্রহণ করতে পারে না। আর্দ্রবায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা ২ ভাগ থেকে ৫ ভাগ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'বৃষ্টিপাত-খ' দ্বারা শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতকে নির্দেশ করে।নিচে তা বর্ণনা করা হলো-

 

জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে ওঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত হয়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে। সাধারণত গ্রীষ্মের শেষ এবং বর্ষায় শুরুতে এ বৃষ্টিপাত হয়, পর্বত ও মালভূমি অঞ্চলে আর্দ্র দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে এ ধরনের বৃষ্টিপাত হয়।

উদ্দীপকে খ শ্রেণির বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্য হলো পাহাড়ের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত হয়। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতও পাহাড়ের প্রতিবাত ঢালে হয়। সুতরাং 'বৃষ্টিপাত-খ' হলো শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'বৃষ্টিপাত-ক' পরিচলন বৃষ্টিপাতকে নির্দেশ করে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও উপরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর এবংনাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। তবে দিনের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়ই এ ধরনের বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।নিরক্ষীয় অঞ্চলে ০° থেকে ১০° অক্ষাংশের মধ্যে সূর্য প্রায় সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং বায়ু উত্তপ্ত হয়ে সর্বদা ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়। এ অঞ্চলে পানিরাশির পরিমাণও বেশি। ফলে অতিরিক্ত তাপে পানিরাশির পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে অনবরত ঊর্ধ্বে উঠে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত ঘটায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা দিনে সূর্যের তাপে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয় এবং বিকেল তিন চার ঘটিকার সময় ঘন কালো স্তম্বমেঘে আকাশ ছেয়ে যায়। ফলে বজ্র ও বিদ্যুৎসহ প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে বার্ষিক পরিচলন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ গড়ে ২০০ সেন্টিমিটার।এ কারণে আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা, দক্ষিণ আমেরিকার আমাজান নদীর অববাহিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলে প্রায় প্রত্যহ পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়। বর্ষাকালে বাংলাদেশের সর্বত্র পানি থাকে এবং এ সময় সূর্যের তাপও খুব বেশি হয়। ফলে এ সময় প্রায়ই মুষলধানে স্বল্পস্থায়ী পরিচলন বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শ্রেণিবৈশিষ্ট্যবৃষ্টিপাত – কসাধারণত…’ ঢাকা বোর্ড ২০২১ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”