A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শ্রেণিশিক্ষক মানুষের রক্ত…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ১৮🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

শ্রেণিশিক্ষক মানুষের রক্ত সংবহন পাঠদানকালে বললেন, তিন ধরনের কোষীয় উপাদান পৃথক পৃথক কাজে নিয়োজিত থাকে। এদের মধ্যে প্রথমটি শ্বসন গ্যাস পরিবহন, দ্বিতীয়টি প্রতিরক্ষা ও তৃতীয়টি রক্ত তঞ্চনে সহায়তা করে। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রক্ত রক্তবাহিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় রক্ত বাহিকার প্রাচীরে (প্রধানত ধমনির প্রাচীরে) যে পার্শ্বীয় চাপ প্রয়োগ করে তাই রক্তচাপ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন রুদ্ধ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে একটি সুস্থ রক্তবাহিকা কেটে এনে রুদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাই করোনারি বাইপাস। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন রুদ্ধ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে একটি সুস্থ রক্তবাহিকা কেটে এনে রুদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাই করোনারি বাইপাস। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের তৃতীয় উপাদান হলো অণুচক্রিকা। অণুচক্রিকার রক্ত তখন কাজটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। রক্ত তঞ্চন বা রক্তপড়া বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া ১৩টি ফ্যাক্টরের সমন্বয়ে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। রক্ত প্রবাহ বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া সকলের ক্ষেত্রে একই। রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে উপাদানগুলো মূল ভূমিকা পালন করে সেগুলো হলো- প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন, ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca') ও থ্রম্বোপ্লাস্টিন বা থ্রম্বোকাইনেজ। প্রথমত রক্তে হেপারিন থাকায় রক্তপ্রবাহে বস্তু জমাট বাঁধতে পারে না। কিন্তু যখনই রক্তপাত হয়, তখন ঐ কাটা স্থান বা ভাঙা অণুচক্রিকা থেকে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম বের হয়। অতঃপর থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তের হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্ত রসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন এর সাথে বিক্রিয়া করে সক্রিয় প্রম্বিন উৎপন্ন করে। প্রধিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্লাজমা প্রোটিনের সাথে মিলে ফাইব্রিন নামক সূত্রের সৃষ্টি করে। সূত্রগুলো পরস্পরের সাথে মিলে জালকের আকার ধারণ করে। সবশেষে ফাইব্রিন জালকে লোহিত কণিকাগুলো আটকে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ লিমোনারি বন্ধ হয় এবং রক্ত জমাট বেঁধে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শ্রেণিশিক্ষক মানুষের রক্ত…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”