A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘স্মৃতি পেঁয়াজ কাটতে…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৬ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

স্মৃতি পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলল। কিছুদিন পর ঐ ক্ষতস্থান একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় পূরণ হয়ে গেল। স্মৃতি পরবর্তীতে জানতে পারল যে জননকোষ তৈরির প্রক্রিয়ার সাথে উক্ত প্রক্রিয়ার কার্যগত পার্থক্য বিদ্যমান। 

উত্তর:

হস্টোরিয়া হলো এক ধরনের চোষক অঙ্গ যার মাধ্যমে পরজীবী আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে খাদ্য ও পুষ্টি সংগ্রহ করে।

উত্তর:

যে সমস্ত অঙ্গগুলোর গঠন ও উৎপত্তি একই রকমের কিন্তু কাজের ধরন আলাদা হয় তাদেরকে সমসংস্থ অঙ্গ বলে। যেমন- পাখির ডানা, বাদুড়ের ডানা, তিমির ফ্লিপার, সিলের অগ্রপদ, ঘোড়ার অগ্রপদ, মানুষের হাত-এর সবগুলোই সমসংস্থ অঙ্গ। আপাতদৃষ্টিতে এদের আকৃতিগত পার্থক্য দেখা গেলেও এদের অস্থিবিন্যাসের মৌলিক প্রকৃতি একই ধরনের। 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম প্রক্রিয়াটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি জটিল ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এর পাঁচটি ধাপ আছে যার মধ্যে চতুর্থ ধাপটি হলো 'অ্যানাফেজ পর্যায়। নিচে অ্যানাফেজ পর্যায়ের চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-  

১. প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। ফলে ক্রোমাটিড দুটি আলাদা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় প্রতিটি ক্রোমাটিডকে অপত্য ক্রোমোজোম বলে এবং এতে একটি করে সেন্ট্রোমিয়ার থাকে। 

২. অপত্য ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে এরা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পরস্পর বিপরীত মেরুর দিকে গমন করে। ক্রোমোজোমের এ মেরুমুখী চলনে সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী এবং বাহুদ্বয় অনুগামী হয়। 

৩. 'অপত্য ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানের বিভিন্নতার জন্য এ সময় ক্রোমোজোমগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালার V, L, J ও । অক্ষরের মতো দেখা যায়। এদেরকে যথাক্রমে মেটাসেন্ট্রিক, সাব-মেটাসেন্ট্রিক, অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ও টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে।
৪. এ ধাপের শেষের দিকে অপত্য ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডলযন্ত্রের মেরুপ্রান্তে অবস্থান নেয় এবং ক্রোমোজোমের প্যাঁচ খুলে এরা দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রথম প্রক্রিয়াটি হলো মাইটোসিস প্রক্রিয়া এবং জননকোষ তৈরির প্রক্রিয়াটি হলো মিয়োসিস প্রক্রিয়া। এই দুটি কোষ বিভাজনের মধ্যে কার্যগত পার্থক্য বিদ্যমান। উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির আলোকে তা বিশ্লেষণ করা হলো- 

১. মাইটোসিস বিভাজন সাধারণত জীবের দৈহিক কোষে হয়ে থাকে। অন্যদিকে, মিয়োসিস বিভাজন সাধারণত জীবের জনন কোষে হয়ে থাকে।
২. মাইটোসিস বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে। মিয়োসিস বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি বিভাজিত হয়ে চারটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে।
৩. মাইটোসিস বিভাজনে নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোজোম একবার বিভক্ত হয়। কিন্তু মিয়োসিস বিভাজনে নিউক্লিয়াস, দুবার এবং ক্রোমোজোম একবার বিভক্ত হয়।
৪. মাইটোসিস বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে। অপরদিকে মিয়োসিস বিভাজনে অপত্য কেষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক থাকে। 

৫. মাইটোসিস বিভাজনে সাধারণত ক্রসিংওভার হয় না। মিয়োসিস বিভাজনে সাধারণত ক্রসিংওভার হয়।
৬. মাইটোসিস বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোজোমের গুণাগুণ মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সমগুণ সম্পন্ন হয়। অপরদিকে মিয়োসিস বিভাজনে অপত্য ক্রোমোজোম মাতৃকোষের ক্রোমোজোম হতে ভিন্নতর গুণসম্পন্ন হয়। 

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘স্মৃতি পেঁয়াজ কাটতে…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৬ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”