| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
মিঠাপানি বা স্বাদুপানির জলাশয় দ্বারা' জলাবদ্ধ বনভূমিকে সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন বলে।
Endemic (এন্ডেমিক) জীব: যেসব জীব কেবল নির্দিষ্ট ভৌগলিক অঞ্চলে বাস করে এবং অন্য কোনো অঞ্চলে তাকে পাওয়া যায় না। তাদের ঐ নির্দিষ্ট অঞ্চলের এন্ডেমিক জীব বলা হয়।
Exotic (এক্সোটিক) জীব: এক ভৌগলিক বা দেশ থেকে অন্য ভৌগলিক অঞ্চল বা দেশে প্রবর্তনকারী উদ্ভিদ বা প্রাণীকে আগত অঞ্চলের এক্সোটিক উদ্ভিদ বা প্রাণী বলে। বাংলাদেশের কয়েকটি এক্সোটিক উদ্ভিদ বা প্রাণী হলো- 'আনারস, পেঁপে, তেলাপিয়া, সিলভার কার্প ইত্যাদি।
উদ্দীপকের চিত্র-O অঞ্চলের উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়া বিশেষ বৈচিত্র্যময়। কারণ এদের বীজ মাতৃগাছে থাকা অবস্থায় অঙ্কুরিত হয়, যাকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলে। নিচে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্দীপকের চিত্র-O অঞ্চলের উদ্ভিদগুলো সাধারণত জলাভূমি বা ম্যানগ্রোভ এলাকায় জন্মায়। এই অঞ্চলের মাটি নরম কাদাটে এবং এতে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব কম থাকে। এই প্রতিকূল পরিবেশে মাটিতে পড়ে বীজের স্বাভাবিক অঙ্কুরোদগম সম্ভব হয় না। তাই এই উদ্ভিদগুলো বংশবিস্তারের জন্য বিশেষ অভিযোজন কৌশল অবলম্বন করে। এদের ফলগুলো মাতৃগাছে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় বীজ অঙ্কুরিত হতে শুরু করে। অঙ্কুরিত চারাগুলো মাতৃগাছ থেকেই পুষ্টি গ্রহণ করে বড় হতে থাকে। চারাগুলো একটি নির্দিষ্ট আকার অর্জন করলে, মূল বড় ও ভারী হলে অভিকর্ষজ বলের কারণে বা অন্য কোনোভাবে মাতৃগাছ থেকে ফলটি মাটিতে বা পানিতে পড়ে যায়।
অনুকূল পরিবেশে এই অঙ্কুরিত চারাগুলো সহজেই মাটিতে গেঁথে গিয়ে নতুন উদ্ভিদে পরিণত হয়। এই বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিকূল পরিবেশেও এদের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত হয়।
উদ্দীপকের চিত্র-M ও চিত্র-N দ্বারা যথাক্রমে জলজ উদ্ভিদ এবং মরুজ উদ্ভিদকে নির্দেশ করেছে। নিচে জলজ উদ্ভিদ এবং মরুজ উদ্ভিদের অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে তুলনা করা হলো-