A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘স্রেয়া ‘ক’ রাষ্ট্রের…’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ২০২৬ – সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ🔢 সৃজনশীল নং ১৫২🏢 প্রতিষ্ঠান শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

স্রেয়া ‘ক’ রাষ্ট্রের এবং স্রেয়শী ‘খ’ রাষ্ট্রে বসবাস করে। স্রেয়ার রাষ্ট্রের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। উক্ত রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার কাছে জবাবদিহি করেন না। অপরদিকে, স্রেয়শীর রাষ্ট্রের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় এবং সরকারপ্রধান ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ তাদের কাজের জন্য আইনসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Foedus শব্দের অর্থ সন্ধি বা মিলন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যখন কোনো রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ধর্মীয় বিধিবিধান ও ধর্মীয় আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী পরিচালিত হয় তখন তাকে ধর্মতান্ত্রিক সরকার বলে। তাছাড়া অনেক সময় ধর্মীয় নেতার নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত সরকারকেও ধর্মতান্ত্রিক সরকার বলা হয়। সাধারণত মধ্যযুগের রাষ্ট্রগুলো ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগুরুর নির্দেশ অনুযায়ী পরিচালিত হতো। এ সময় রাষ্ট্রের শাসক রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মগুরুর ওপর নির্ভরশীল ছিল। অর্থাৎ রাষ্ট্রের সবক্ষেত্রেই ধর্মের প্রভাব প্রকটভাবে পরিলক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

স্রেয়ার 'ক' রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থাটি হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা।
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। উক্ত রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার কাছে জবাবদিহি করেন না। 'ক' রাষ্ট্রের এরূপ বর্ণনায় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলতে সে সরকারকে বোঝায় যাতে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ হতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে এবং শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না। এ শাসনব্যবস্থায় শাসনক্ষমতা একজন রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত থাকে এবং তিনিই শাসন বিভাগের প্রকৃত নির্বাহী।
এ সরকারব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এখানে রাষ্ট্রপতি প্রকৃত শাসক। তিনিই রাষ্ট্রের চরম ক্ষমতার অধিকারী। এ সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করেই প্রশাসনযন্ত্র পরিচালিত হয়। এ. শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয় ক্ষেত্রে একই ব্যক্তির প্রাধান্য থাকে। এ ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ তাদের নিজ নিজ কাজের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন। এ ব্যবস্থায় বিচার বিভাগের প্রাধান্য থাকে। বিচার বিভাগ আইন বিভাগের প্রণীত আইন ও শাসন বিভাগের কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই করতে পারে। আইনসভা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে না। কেবল বিশেষ ব্যবস্থায় অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। এছাড়া এ সরকারব্যবস্থায় ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পৃক্ত। মূলত এ শাসনব্যবস্থায় আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়। তাছাড়া এ সরকারব্যবস্থায় সংবিধানের প্রাধান্য এবং সরকারের স্থিতিশীলতা লক্ষ করা যায়।
তাই বলা যায়, উপরিউক্ত এসব বৈশিষ্ট্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার অন্যান্য সরকার থেকে ভিন্ন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি সরকারব্যবস্থা এবং 'খ' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তিতে সরকারকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর একটি হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা অন্যটি হলো সংসদীয় পদ্ধতির সরকার। কেননা, উদ্দীপকে উল্লিখিত স্রেয়শীর রাষ্ট্রের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় এবং সরকারপ্রধান ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ তাদের কাজের জন্য আইনসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে, যা সংসদীয় রকারব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। দুটি সরকারই গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা। তবে উভয়ের মধ্যে। সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
সংসদীয় সরকারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান পৃথক ব্যক্তি হলেও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারে যিনি রাষ্ট্রপ্রধান আবার তিনিই সরকারপ্রধান। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান নামমাত্র শাসক, কিন্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানই প্রকৃত শাসক। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারে মন্ত্রিসভার সদস্যরা আইনসভার সদস্য নয়। তারা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত ও তার আজ্ঞাবহ। কিন্তু সংসদীয় সরকারে মন্ত্রিসভার সদস্যরা আইনসভার সদস্য। তারা আইনসভার নিকট দায়বদ্ধ থাকলেও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থায় মন্ত্রিবর্গ আইনসভার সদস্য নয় বরং রাষ্ট্রপতির নিকট দায়ী থাকেন। সংসদীয় সরকারে অনাস্থা জ্ঞাপন করে যেকোনো মুহূর্তে আইনসভা মন্ত্রিপরিষদকে পদচ্যুত করতে পারে; কিন্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার 'স্থায়িত্ব নির্ভর করে রাষ্ট্রপতির একক ইচ্ছার ওপর। রাষ্ট্রপতি শাসিত'সরকার তুলনামূলকভাবে দীর্ঘস্থায়ী। আবার জরুরি অবস্থা মোকাবিলার দিক হতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা অধিক উপযোগী। তবে নমনীয়তার দিক বিবেচনায় সংসদীয় সরকার অধিক নমনীয়। সংসদীয় সরকারে ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি কার্যকর না হলেও রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থায় তা কার্যকর হতে দেখা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘স্রেয়া ‘ক’ রাষ্ট্রের…’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ২০২৬ – সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”