A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘স্তবক-১: পদে পদে…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৭ম অধ্যায় : নিরীহ বাঙালি - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন🔢 সৃজনশীল নং: ১১🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০১৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

স্তবক-১: পদে পদে ছোট ছোট নিষেধের ডোরে

  বেঁধে বেঁধে রাখিও না ভালো ছেলে করে।

স্তবক-২: শাবাশ, বাংলাদেশ, এ-পৃথিবী

অবাক তাকিয়ে রয়;

জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার

তবু মাথা নোয়াবার নয়।

[ঢাকা বোর্ড ২০১৫]

উত্তর:

ধনবৃদ্ধির দুটি উপায়। 

উত্তর:

মূলত যৌতুক প্রথা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রাবন্ধিক উক্তিটি করেছেন।
বাঙালিরা আরামপ্রিয় হওয়ার কারণে বর অর্থাৎ ছেলেরা পরিশ্রম করে টাকা উপার্জনের চেয়ে পাশ বিক্রয় করে শ্বশুরের কাছ থেকে টাকা গ্রহণকে বেশি প্রাধান্য দেয়। যার কারণে ছেলের যত পড়াশোনা যৌতুকের বাজারে তার মূল্য তত বেশি, এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালি বরেরা পাশ বিক্রয় করতে ইচ্ছুক।

উত্তর:

উদ্দীপকের স্তবক-১ 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে উপস্থাপিত বাঙালির কোমল স্বভাব ও কর্মবিমুখতার সঙ্গে গভীরভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালির জীবনাচরণের কঠোর সমালোচনা করেছেন। বাঙালি পুরুষদের নানা উদ্ভট কর্মকাণ্ড, আলস্যপ্রিয়তা এবং নারীদের নির্বুদ্ধিতার জন্য লেখিকা তাদের কটাক্ষ করেছেন।
বাঙালি আরামপ্রিয় জাতি; যার কারণে তারা কাজ করতে উৎসাহী নয়। এছাড়াও বাঙালি অনেক বাধানিষেধ মেনে চলে। এ জন্য তারা শক্ত বা কঠিন কাজ করতে ইচ্ছুক নয়। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে দেখা যায়, বাঙালি পরিশ্রম না করে সহজে বড়লোক হতে চায়। তারা কর্ম করতে গিয়ে ভয় পেয়ে অপরের কাছে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করে; ভালো ছেলে সেজে ঘরে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করে। এভাবে উদ্দীপকের স্তবক-১ ও 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে এই একই সুর লক্ষ করা যায়।

উত্তর:

'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখকের চেতনায় বাঙালির জাগরণ প্রত্যাশার দিকটি বিবেচনায় বলা যায় "বেগম রোকেয়ার প্রত্যাশাই স্তবক-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে" মন্তব্যটি যথার্থ।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালি জীবনাচরণের নানা অসংগতির জন্য কেবল কটাক্ষই করেননি বরং প্রত্যাশা করেছেন বাঙালিরা যেন আত্মমর্যাদাবান হয়ে উঠে। বাঙালির মেধা আছে, শক্তি আছে, শুধু পরিশ্রম করার ইচ্ছেটাই নেয়। এই ইচ্ছে জাগ্রত করতে পারলে জাতির কল্যাণ সম্ভব।
উদ্দীপকের স্তবক-২-এ প্রতিফলিত বিষয়টির মূলভাব হচ্ছে ধ্বংস ও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ দেশে নতুন প্রাণের জাগরণ ঘটেছে। শোষণ ও শাসনে নিপীড়িত মানুষ তার ন্যায্য অধিকার আদায় করে নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সারা বিশ্ব আজ বাংলাদেশের নবজাগৃতিকে অভিনন্দিত করছে। এ দেশের গণমানুষ এ সত্যকে প্রতিষ্ঠা করেছে যে, জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার হলেও তারা অত্যাচারী শাসকদের কাছে মাথা নত করবে না। উদ্দীপকের এই 'বিষয়টির সঙ্গে 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের লেখিকার প্রত্যাশা সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ তিনিও বাঙালির অনুরূপ জাগরণ প্রত্যাশা করেছেন।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে রোকেয়া আলস্যের কুফল দেখিয়ে বাঙালিকে পরিশ্রমী ও উদ্যমী হতে বলেছেন। তিনি সৎ, সাহসী ও অতীত ঐতিহ্য চেতনা বুকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর বাঙালির প্রত্যাশা করেছেন। তিনি বাঙালিকে নিরীহ রূপ পরিহার করে জেগে উঠতে বলেছেন। অতীত ঐতিহ্য ও আত্মমর্যাদা রক্ষার জন্য পরিশ্রম করতে বলেছেন। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

10 Views
No Comments
Share
1
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘স্তবক-১: পদে পদে…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”