A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত স্ত্রী ও পুরুষ সদস্যদের মধ্যে পার্থক্যসূচক শারীরিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতিই হলো ঐ প্রজাতির যৌন দ্বিরূপতা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অসম্পূর্ণ রূপান্তর হলো আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের এক ধরনের ভ্রূণোত্তর পরিস্ফুটন। এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় শিশু প্রাণীটি দেখতে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর মতো হয়। কিন্তু এদের দেহ ছোট থাকে, ডানা ও জননাঙ্গ থাকে না। খোলস মোচনের মাধ্যমে এরা পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'A' হলো নিষিক্ত জাইগোট এবং 'B' হলো গ্যাস্টুলা। জাইগোট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে সর্বশেষ ধাপে গ্যাস্টুলায় পরিণত হয়। নিচে এই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-

জাইগোট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে বহুকোষী ভ্রূণ গঠন করে। জাইগোটের এই বিভাজনকে ক্লিভেজ বলে। ক্লিভেজ প্রক্রিয়ায় ভ্রূণকোষ একটি নিরেট গোলক বা মরুলায় পরিণত হয়। মরুলার কোষগুলো ক্রমশ একস্তরে সজ্জিত হয়ে ভেতরে একটি তরলপূর্ণ গহ্বর সৃষ্টি করে। ভূণের এই দশাকে ব্লাস্টুলা বলে। এর প্রাচীরকে ব্লাস্টোডার্ম এবং তরলপূর্ণ গহ্বরকে ব্লাস্টোসিল বলে। পরবর্তী গ্যাস্টুলেশন প্রক্রিয়ায় ব্লাস্টুলা দ্বি বা ত্রিস্তরে বিভক্ত হয়। ধীরে ধীরে ব্লাস্টুলার একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল ক্রমান্বয়ে ব্লাস্টোসিলের ভেতর প্রবেশ করে। ফলে ব্লাস্টোসিল অবলুপ্ত হয় এবং দুইস্তরবিশিষ্ট কাপের ন্যায় গ্যাস্টুলা গঠিত হয়। এর ভিতরের গহ্বরকে আর্কেন্টেরন বলে। এভাবে জাইগোট 'A' থেকে গ্যাস্টুলা 'B' সৃষ্টি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'B' হলো জীবের ভ্রূণের বৃদ্ধির একটি পর্যায় গ্যাস্টুলা। ইহা গ্যাস্টুলেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। পরবর্তী অর্গানোজেনেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর বিভিন্ন স্তর থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সৃষ্টি হয়। নিম্নে এই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-

গ্যাস্টুলা প্রথমে তিনটি স্তরে বিভক্ত হয়। বহিঃস্তর হলো এক্টোডার্ম, মধ্যস্তর মেসোডার্ম এবং অন্তঃস্তর এন্ডোডার্ম। এরা পরিবর্তিতে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গে পরিণত হয়।

এক্টোডার্ম: এক্টোডার্ম এর কোষসমূহ দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ভূণের সমগ্র দেহের আবরণ গঠিত হয়। এক্টোডার্ম কোষস্তর দেহের ত্বক, ত্বকোদ্ভূত বিভিন্ন গ্রন্থি, চুল, নখ, চোখের লেন্স সৃষ্টি করে। অন্যান্য প্রাণীর পালক, শিং, ক্ষুর, আঁইশ উৎপন্ন হয়। এক্টোডার্ম থেকে ঠোঁট ও মুখবিবরের আবরণ, জিহ্বার আবরণ, পৌষ্টিকনালির অন্তঃপ্রাচীর, পায়ুর আবরণ, দাঁতের এনামেল, সকল সংবেদী অঙ্গ ইত্যাদি গঠিত হয়।

মেসোডার্ম: ভ্রূণীয় বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে মেসোডার্ম থেকে সৃষ্ট আবরণ, দাঁতের এনামেল, সকল সংবেদী অঙ্গ ইত্যাদি গঠিত হয়। অংশ ত্বকের ডার্মিস এবং নটোকর্ড গঠন করে। বাকী অংশ মায়োটোম গঠন করে যা থেকে পরবর্তীতে পেশিসমূহ উৎপন্ন হয়। মেসোমিয়ার প্রাণীর রেচন ও জনন অঙ্গ গঠন করে। হাইপোমিয়ার থেকে গঠিত হয় প্রাণীর ঐচ্ছিক পেশি, হৃদপেশি, দেহ গহ্বরের অন্তঃআবরণী, প্রাণীর উপাঙ্গিক কঙ্কাল, যোজক কলা, রক্তকণিকা, রক্তনালি, লসিকা, লসিকা নালি, চোখের বিভিন্ন অংশ, দাঁতের ডেন্টিন, বৃক্কের কর্টেক্স ইত্যাদি।

এন্ডোডার্ম: এখান থেকে গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলি এবং বৃদ্ধ ও অগ্ন্যাশয়ের আবির্ভাব ঘটে। মধ্যকর্ণ, টনসিল, থাইমাস, থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স, ট্রাকিয়া ও ফুসফুসের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মূত্রথলি, মূত্রনালি ও তৎসংলগ্ন গ্রন্থি এন্ডোডার্ম থেকে সৃষ্টি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০১৭ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”