| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
যে সকল বিকারক নিউক্লিয়াসের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে এবং বিক্রিয়াকালে ইলেকট্রন দান করে তাদেরকে নিউক্লিওফাইল বলে।
কোন নমুনায় COD এর মান BOD থেকে বেশি হয়। কেননা COD প্রক্রিয়ায় সকল প্রকার জীব ভাঙনযোগ্য ও অভাঙনযোগ্য পদার্থ জারিত হয়। এর ফলে অক্সিজেনের ব্যবহার বেশি হয়। কিন্তু BOD প্রক্রিয়ায় কেবলমাত্র জীব ভাঙনযোগ্য পদার্থসমূহ জারিত হওয়ায় অক্সিজেনের ব্যবহার কম হয়। সুতরাং বলা যায়, কোনো নমুনায় BOD অপেক্ষা COD এর মান বেশি হয়।
উদ্দীপকে অনুসারে হলো সিমেন্ট শিল্প। সিমেন্ট উৎপাদনের মূলনীতি সমীকরণসহ নিচে বর্ণনা করা হলো :
১. কাঁচামাল প্রস্তুতি: শুষ্ক পদ্ধতিতে ক্যালসিয়ামঘটিত ও আরজেলিয়াস প্রকৃতির কাঁচামালগুলোকে মিহি চূর্ণে পরিণত করে সমসত্ব মিশ্রণ প্রস্তুত করা হয়।
২. ভস্মীকরণ: ভস্মীকরণ প্রক্রিয়াটি স্টিল নির্মিত একটি ঘূর্ণায়মান চুল্লিতে সম্পন্ন করা হয়।
(i) চুল্লির উপরিভাগে 800°C তাপমাত্রায় স্লারি থেকে সমস্ত পানি বাষ্পীভূত হয়।
(ii) চুল্লির মধ্যভাগে তাপমাত্রায় বিয়োজিত হয়ে CaO ও উৎপন্ন হয়।
(iii) চুল্লির নিম্নভাগে তাপমাত্রায় লাইম ও ক্লে পরস্পর বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট, ক্যালসিয়াম সিলিকেট এবং টেট্রাক্যালসিয়াম অ্যালুমিনোফেরাইট উৎপন্ন করে।
এবং
৩. ক্লিংকারের চূর্ণীকরণ : ক্লিংকারকে শীতক যন্ত্রে ঠান্ডা বায়ু দ্বারা শীতল করে, বলমিলে মিহিচূর্ণ করা হয়। অতঃপর এই চূর্ণে 2 – 3% জিপসাম মেশানো হয়। সিমেন্টে উপস্থিত ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট সিমেন্টকে পানির উপস্থিতিতে দ্রুত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। কিন্তু জিপসামের উপস্থিতিতে জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া মন্দীভূত হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'Q' শিল্পটি হলো প্লাস্টিক শিল্প।
দামে সস্তা এবং ব্যবহার সহজের কারণে বর্তমান বিশ্বে প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকীস্বরূপ কারণ প্লাস্টিক পচনশীল পদার্থ নয়। এটা নন বায়োডিগ্রেডেবল। সাধারণত ৫০০ বছর পর প্লাস্টিক বিয়োজন হতে পারে। তাই প্লাস্টিক রিসাইক্লিং পরিবেশ রক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লাস্টিক রিসাইকেল করা খুবই সহজ ও লাভজনক। এছাড়া প্লাস্টিক রিসাইক্লিং নিম্নলিখিত কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ-
i. প্লাস্টিক রিসাইক্লিং-এ প্লাস্টিককে কাঁচামাল হিসেবে কাজে লাগিয়ে অন্যান্য অনেক মূল্যবান কিন্তু সাশ্রয়ী দ্রব্যাদি তৈরি করা যায়। এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়।
ii. প্লাস্টিক রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় অর্থের সাশ্রয় হয়। কারণ এ প্রক্রিয়ায় তেল উৎপন্ন করা যায়। সাধারণত এক টন প্লাস্টিক বোতল রিসাইকেল করলে 3.8 ব্যারেল পেট্রোলিয়াম তেল পাওয়া যায়।
iii. রিসাইক্লিং করার ফলে প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশে উৎপন্ন হয় না তাই প্লাস্টিক বর্জ্য দূষক বায়ুতে নির্গত হবেনা ফলে পরিবেশ রক্ষা পাবে এবং গ্রিনহাউজ প্রভাব সীমিত থাকবে।
vi. নতুন করে প্লাস্টিক উৎপাদনে প্রচুর পেট্রোক্যামিক্যালস প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ রিসাইকেল না করে প্লাস্টিক উৎপন্ন করতে গেলে খনিজ সম্পদের উপর প্রচুর চাপ পড়বে এবং উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়।
V.প্লাস্টিক উৎপাদনে ফ্লু গ্যাস নির্গত হয় যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে কিন্তু প্লাস্টিক রিসাইকেল করা হলে বায়ুতে ফ্লু গ্যাসের নির্গমন কমে যাবে তথা পরিবেশ দূষণ কমবে।
তাই উদ্দীপকের আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় যে প্লাস্টিক রিসাইকেল অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখে।