A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যখন প্রাণীদেহের প্রকৃত সিলোমটি প্রবাহমান তরল পূর্ণ (রক্ত) থাকে, তখন হিমোসিল বলে। যেমন: আর্থ্রোপোডা পর্বের দেহগহ্বর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সংবহনতন্ত্রের রক্ত হৃদযন্ত্র থেকে নালিকা পথে বের হয়ে উন্মুক্ত দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে এবং দেহ গহ্বর থেকে পুনরায় নালিকা পথে হৃদযন্ত্রে ফিরে আসে তার নাম মুক্ত সংবহন। অর্থাৎ রক্তের সর্বদা রক্তবাহিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় না। চিংড়ি, পতঙ্গ প্রভৃতি প্রাণীর দেহে এই ধরনের প্রাণীর দেহে সংবহন দেখা দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। নিচে ঘাসফড়িং এর জীবনের নিম্ফ দশার ভূমিকা আলোচনা করা হলো:

নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং: ডিম ফুটেছে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ বলে। বহির্গঠন এর দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় একই রকম,অন্তত মুখপাক্ষ,সরলক্ষী ও পুঞ্জাক্ষি,  এন্টনি, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফএর জীবনধারণ,খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিীয় এক রকম। এদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে -নিম্ফে ডানা ও জনণাঙ্গ থাকেনা, তাছাড়া দেহের আকার আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গলের ডানা ও যৌনাঙ্গে পরিস্ফুটন, ঘটে দেহের আকার বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফর কাইটির নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে যার স্বচ্ছ, ক্রমশ গাড় হয়। একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের এ নিম্ফ একটু বড় হলে বহিঃকঙ্কাল আটসাট করে দেহ বৃদ্ধি রোহিত দেয়। তখন দেহবৃদ্ধির স্বাভাবিক রাখতে পুরোনো বহিঃ কঙ্কাল মোচন বা মন্টিন প্রক্রিয়ায় ত্যাগ করে ২য় ধাপে নিম্ফে পরিণত হয় । পরবর্তীতে আরও ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এর পরিণত হয়। দ্বিতীয় ধাপে নিম্ফ ক্ষুদ্রাকার ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূত্রপাত ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর এটি দেখতে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এর  মতো দেখায়। তাছাড়া, এদের পরিস্ফুটনের কোন বিশ্রাম দশা ও নেই। পঞ্চম বার খোলস মোচন এর মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে ওঠে। দুটি মোচনের পরবর্তী দশাকে ইনস্টার বলে। ঘাসফড়িং এর রুপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দুমাস লাগে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং এর দর্শন অঙ্গ। অনন্য দর্শন অঙ্গ হওয়ার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো :

প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে প্রাণের বস্তুকে অবলোকন করে। ঘাসফড়িং দিবাচর শস্যভোজী প্রাণী। দিনের উজ্জ্বল আলো ও দিনের শেষে স্তীমিত আলো দুসময়ই দৃষ্টিশক্তি কার্যকর থাকে। এজন্য দুটো ভিন্ন দর্শন কৌশল রয়েছে। এরা মানুষের চেয়ে স্পষ্ট ভাবে কোন চলমান বস্তু দেখতে পারে। সাধারণত ঘাসফড়িং একটি omadium দিয়ে পূর্ণাঙ্গ বস্তুকে দেখতে পারে না। প্রতিটি ওমাটিডিয়ামে বস্তুর খন্ডিত প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। সকল ওমেটিডিয়ামের সম্মিলিত প্রতিবিম্ব বস্তুটিকে সম্পূর্ণরূপে দেখতে সাহায্য করে। সম্পূর্ণভাবে খন্ডিত প্রতিবিম্বের সংবেদন অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছালে ঘাসফড়িংটা দেখতে পায়। আলোর তীব্রতা অনুসারে পুঞ্জাক্ষিতে দু ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়, যথা -মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব। প্রাণিজগতের অন্য কোন প্রাণীতে এই ধরনের দু'রকম এর প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় না। 

সুতরাং ঘাসফড়িং এর দর্শন অঙ্গ হলো অনন্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”