| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – গুণগত রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ২
বন্ধন গঠনের সময় দুটি পরমাণুর একটির বহিঃস্থ অরবিটাল অপরটির বহিঃস্থ অরবিটালে যুক্ত হওয়ার ঘটনাকে অধিক্রমণ বলে।
আর্দ্র-বিশ্লেষিত হয়। কারণ এর B(5) পরমাণুর দ্বিতীয় শক্তিস্তরে d অরবিটাল না থাকলেও Cl পরমাণুর ৩য় শক্তিস্তরে ফাঁকা d-অরবিটাল বর্তমান থাকায় অণুর Cl পরমাণু পানির অণুর সাথে সন্নিবেশ বন্ধন গঠনের মাধ্যমে পানিতে আর্দ্র-বিশ্লেষিত হয়।
উদ্দীপকের 'ক' মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা ১৬। তাই মৌলটি সালফার। হুন্ডের নীতি অনুসারে সালফার (S) এর ইলেকট্রন বিন্যাস,
S(16) এর সবশেষ ইলেকট্রন অরবিটালের ২য় ইলেকট্রন।
এক্ষেত্রে, প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n) = 3
সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা (l) = 1
চুম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) = 0
স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা
আবার 15 তম ইলেকট্রন এর ১ম ইলেকট্রন। এক্ষেত্রে, n = 3 , l = 1,
উদ্দীপকের 'খ' যৌগটি ইথানোয়িক এসিড ()। এর 6 – 10% জলীয় দ্রবণ ভিনেগার নামে পরিচিত। নিচে খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের ভূমিকা আলোচনা করা হলো-
ভিনেগার অম্লীয় বলে খাদ্যদ্রব্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির হার হ্রাস করে খাদ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। ভিনেগার যোগে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতিকে 'পিল্লিং' (pickling) বলে। এজন্য খাদ্য হতে পানি সরানোর জন্য প্রথমে খাদ্যকে গাঢ় লবণ পানিতে (ব্রাইন) সিক্ত করা হয়। পরে ভিনেগারে ডুবানো হয়। ভিনেগার যোগে খাদ্য সংরক্ষণের' মূল বিষয় হলো এর উপস্থিতিতে খাদ্যদ্রব্য বাতাসের অক্সিজেন, আর্দ্রতা হতে দূরে থাকতে পারে। ফলে খাদ্যে পচন বা খাদ্যের বর্ণ পরিবর্তন রোধ হয়। খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হওয়ার অপর কারণ হলো 'তাপমাত্রা'। ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্যের তাপমাত্রা এমন পর্যায়ে থাকে যে, এতে ব্যাকটেরিয়া বা এনজাইম জন্ম নিতে পারে না। কারণ আমরা জানি খাদ্য মূল দুটি কারণে নষ্ট হয়।
১. প্যাথোজেনের (pathogens) আক্রমণে অর্থাৎ রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু, যেমন ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক দ্বারা।
২. জারণের ফলে খাদ্যের পুষ্টিকর উপাদান ভেঙে যায়। অর্থাৎ খাদ্যের কোষ প্রাচীরে জারণের ফলে ভাঙন ধরে এবং খাদ্য ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে।
ভিনেগারের ব্যবহারে এ দুটি প্রক্রিয়াই ব্যাহত হয় বলে খাদ্যে জীবাণুর আক্রমণ রোধ হয় এবং গুণসম্পন্ন খাদ্য হিসেবে সংরক্ষিত হয়। ভিনেগারের ইথানয়িক এসিড অণু হতে প্রোটন () আয়ন বিমুক্ত হয়, যা ব্যাকটেরিয়ার প্রোপিন এবং চর্বিকে আর্দ্রবিশ্লেষিত করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
এ পদ্ধতিতে সবজি, মাংস, মাছ, ডিম, ফল এমনকি বাদাম সংরক্ষণ করা যায়। পিকলিং পদ্ধতিতে 4-6% ভিনেগার দ্রবণ ব্যবহৃত হয়।