A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ২৬🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাকস্থলি থেকে আগত অম্লীয় অর্ধ-পাচিত শর্করা ও আমিষ এবং প্রায় অপরিপাককৃত স্নেহদ্রব্য নিয়ে গঠিত খদ্যমন্ড কে কাইম (chyme) বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সমস্ত গ্রন্থি অন্তঃক্ষরা (হরমোন ক্ষরণকারী অংশ) এবং বহিঃক্ষরা (উৎসেচক বা এনাজইম ক্ষরণকারী অংশ) উভয় গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত, তাদের মিশ্র গ্রন্থি বলে। মিশ্র গ্রন্থির কাজ হলো: ১) বহিঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে এনজাইম এবং ২) অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে হরমোন ক্ষরিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের “B” চিহ্নিত অঙ্গটি হলো অগ্ন্যাশয় । অগ্ন্যাশয় পাকস্থলির নিচে অবস্থিত এবং উদর গহ্বরের ডিওডেনামের অর্ধবৃত্তাকার কুন্ডলীর ফাঁক থেকে প্লীহা পর্যন্ত বিস্তৃত। অগ্ন্যাশয়ের বহিঃক্ষরা অংশের মধ্যে কিছু কোষ একত্রিত হয়ে বিক্ষিপ্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপের মতো একেকটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি সৃষ্টি করে। এদের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স বলে। প্রতিটি দ্বীপ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গ্লুকাগন, সোমাটোস্ট্যানিন প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়।

অপরদিকে গ্লুকাগন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায়। রক্তে যখন গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যায় তখন গ্লুকাগন নিঃসৃত হয়। গ্লুকাগনের প্রভাবে যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিবর্তিত হয়। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে, ইনসুলিন গ্লুকাগনের বিপরীত কাজ করে। খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে ল্যাঙ্গারহ্যান্সের দ্বীপপুঞ্জ থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। আর এভাবেই গ্লুকাগন ও ইনসুলিনের পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে রক্তে গ্লুকোজের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা বজায় থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A হলো যকৃত। খদ্য পরিপাকে যকৃতের ভূমিকা দেয়া হল: যকৃত শর্করা, আমিষ ও স্নেহবস্তু বিপাকের মাধ্যমে পরিপাকে সাহায্য করে। যকৃতে নিচে বর্ণিত বিপাকীয় কার্যাবলী সংঘটিত হয় ।

১. শর্করা বিপাক (Carbohydrate Metabolism) গ্লাইকোজেনেসিস (Glycogenesis) : অস্ত্র থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে চিনি (যেমন-গ্লুকোছা যকৃতে প্রবেশ করে। এ শিরাটি বিভিন্ন মাত্রায় চিনি বহনকারী একমাত্র রক্তবাহিকা। শর্করা বিপাকে দেহে গ্লুকোজ লেভেল প্রতি ১০০ ঘন সেন্টিমিটারে ৯০ মিলিগ্রাম গ্লুকোজ হিসেবে নিয়ন্ত্রণ করে । যে ধরনের খাবারই গ্রহণ করা হোক না কেন রক্তে গুকোজ লেভেল যেন না বাড়ে বা কমে, যকৃত তা প্রতিরোধ করে।গ্যালাক্টোজ, ফ্রুক্টোজসহ সমস্ত হেক্সোজ চিনিকে যকৃত গুকোজে পরিবর্তিত করে গ্রাইকোজেন) (glycogen) নামক অদ্রবণীয় পলিস্যাকারাইড হিসেবে জমা রাখে। গুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন রূপান্তর প্রক্রিয়াটিকে গ্লাইকোজেনেসিস বলে । প্রক্রিয়াটি ইনসুলিনের উপস্থিতিতে উদ্দীপ্ত হয় । ইনসুলিন (insulin) হচ্ছে রাজ চিনির লেভেল বেড়ে গেলে তার প্রতি সাড়া হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স (Islets of Langerhans) থেকে উৎপন্ন হরমোন ।

২. গ্লুকোনিয়োজেনেসিস (Gluconeogenesis) : যে জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অশর্করা জাতীয় বস্তু থেকে গ্লুকোজ শর্করা উৎপন্ন হয়, তাকে গ্লুকোনিয়োজেনেসিস বলে । এটি শর্করার উপচিতিমূলক বিপাক । এটি প্রধানত যকৃত কোষের সাইটোপ্লাজমে সংঘটিত হয়। দেহের চাহিদার প্রেক্ষিতে রক্তে গুকোজের মাত্রা অত্যধিক কমে গেলে যকৃত অ্যামিনো এসিড, ল্যাকটিক এসিড, পাইরুভিক এসিড, গ্লিসারল ইত্যাদি অশর্করা জাতীয় বন্ধ থেকে গ্লুকোজ তৈরি করে রক্তে প্রেরণ করে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে।

গ্লাইকোজেনোলাইসিস (Glycogenolysis ) : রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে গ্লাইকোজেনোলাইসিস প্রক্রিয়ায় যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ভেঙ্গে গ্লুকোজ তৈরি হয় এবং রক্তে মিশে যায়। এ প্রক্রিয়াটি এপিনেফ্রিন ও গ্লুকাগন হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয় ।

লাইপোজেনেসিস (Lipogenesis) : রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা যদি এমন পরিমাণ বেড়ে যায় যে তা শক্তি উৎপাদন ও গ্লাইকোজেন সঞ্চয় ক্ষমতার মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায় তখন ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবে যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজকে ট্রাইগ্লিসারাইড -এ রূপান্তর করে। এ ট্রাইগ্লিসারাইড কোষে চর্বি হিসেবে সঞ্চিত হয়।

 প্রোটিন বিপাক (Protein Metabolism) : প্রোটিন বিপাকে যকৃত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

 ডিঅ্যামিনেশন (Deamination) : কোন অ্যামিনো এসিড বা অন্য উপাদান থেকে অ্যামিনো গ্রুপের অপসারণ প্রক্রিয়াকে ডিঅ্যামিনেশন বলে।

হরমোন সংশ্লেষ (Synthesis of Hormone ) : যকৃত অ্যানজিওটেনসিনোজেন্ট (angiotensinogen) নামক হরমোন সংশ্লেষ করে যা বৃক্ক নিঃসৃত রেনিন (renin) এনজাইম দ্বারা সক্রিয় হয়ে দেহে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।

৩. লিপিড (ফ্যাট) বিপাক (Lipid Metabolism) :

অস্ত্র থেকে শোষিত স্নেহ পদার্থ যকৃতে পৌঁছে চর্বিতে পরিণত হয় এবং সেখানে সঞ্চিত হয় ।

যকৃতে ফ্যাটের অক্সিজেন সংযোগে দহন বা অক্সিডেশনের ফলে ATP রূপে শক্তি উৎপন্ন হয় । কোলেস্টেরল, ফসফোলিপিড, লাইপোপ্রোটিন প্রভৃতি যকৃতে সংশ্লেষিত হয় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”