কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে। অর্থাৎ, ভরসংখ্যা হচ্ছে প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন।সংখ্যার সমষ্টি। সোডিয়াম (Na) এর ভরসংখ্যা 23 বলতে বুঝায়, Na পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা 11 এবং নিউট্রন সংখ্যা (23 11)=12, যাদের সমষ্টি 23 হচ্ছে এর ভর সংখ্যা।
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর সর্বশেষ শক্তিস্তর ৪র্থ শক্তিস্তর।
এ কক্ষপথের জন্য n = 4
জানা আছে, ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ,
এখানে,
প্লাংকের ধ্র্বেবক
mvr=?
সুতরাং চিত্র-১ এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে বিদ্যমান একটি ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ .
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর মডেলটি নীলস বোর পরমাণু মডেল এবং চিত্র-২ এর মডেলটি রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল। বোর পরমাণু মডেলটি অধিক গ্রহণযোগ্য। যথাযথ যুক্তির মাধ্যমে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
◉ রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল অনুসারে সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ-উপগ্রহগুলো যেমন ঘুরছে, পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলোও তেমন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এখানে ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার সম্পর্কে কোনো কথা বলা হয়নি কিন্তু বোরের পারমাণবিক মডেলে পরমাণুর শক্তিস্তরের আকার বৃত্তাকার বলা হয়েছে।
◉ রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলে পরমাণু শক্তি শোষণ করলে বা শক্তি বিকিরণ করলে পরমাণুর গঠনে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে সে কথা বলা হয়নি কিন্তু বোর পরমাণু মডেলে বলা হয়েছে পরমাণু শক্তি শোষণ করলে ইলেকট্রন নিম্ন শক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে উঠে। আবার, পরমাণু শক্তি বিকিরণ করলে ইলেকট্রন উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে নেমে আসে।
◉ রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল অনুসারে কোনো মৌলের পারমাণবিক বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায় না কিন্তু বোরের পরমাণু মডেল অনুসারে এক ইলেকট্রনবিশিষ্ট পরমাণু হাইড্রোজেন (H) এর বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায়।
উপরিউক্ত বর্ণিত কারণে বলা যায় যে, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের তুলনায় বোরের পরমাণু মডেল অধিকতর উন্নত তথা উপযোগী।
