A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”তার চেয়ে পোষমানাকে…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — বিদ্রোহী🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“তার চেয়ে পোষমানাকে অস্বীকার করো 

অস্বীকার করো বশ্যতাকে।

চলো শুকনো হাড়ের বদলে

সন্ধান করি তাজা রক্তের।
তৈরি হোক লাল আগুনে ঝলসানো আমাদের খাদ্য

শিকলের দাগ ঢেকে দিয়ে গজিয়ে উঠুক

সিংহের কেশর প্রত্যেকের ঘাড়ে।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'বিদ্রোহী' করিতা কবির 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা-বিশ্বামিত্র-শিষ্য।"- পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে কবি পৌরাণিক চরিত্রের সাহসী চেতনাকে নিজের মধ্যে ধারণ করাকে বুঝিয়েছেন।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি অন্যায়-অত্যাচার, অবিচার, অকল্যাণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাঁর বিদ্রোহী সত্তাকে পৌরাণিক বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে তুলনা করে নিজের সাহসী চেতনার পরিচয় দিয়েছেন। সাধারণভাবে ভারতীয় পুরাণে দুর্বাসা একজন কোপন-স্বভাববিশিষ্ট মুনি। মহর্ষি অত্রির ঔরসে ও তাঁর স্ত্রী অনসূয়ার গর্ভে তাঁর জন্ম। তাঁর কোপানলে পড়ে অনেকেই দগ্ধ হন। কবিও তাঁর মতো হয়ে অন্যায়কারীদের দগ্ধ করতে চেয়েছেন। অন্যায়ের অবসানকল্পেই 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে 'ক্ষ্যাপা দুর্বাসা-বিশ্বামিত্র-শিষ্য' বলেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য হলো বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটানো এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সব অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। দেশ ও দেশের মানুষকে অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা করে তিনি স্বাধীনতা এনে দিতে শাসক ও শোষকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বিদ্রোহী চেতনায় জাতির আত্মজাগরণ ঘটেছে।

উদ্দীপকের কবিতায় কবি আত্মজাগরণের আহ্বান জানিয়েছেন। নিজের অধিকার নিজেকে আদায় করে নেওয়ার জন্য তিনি জাগরণ ঘটানোর প্রয়াস পেয়েছেন। বশ্যতাকে স্বীকার না করে নিজের অধিকার নিজেকেই আদায় করে নিতে হবে। তিনি আসলে বিদ্রোহী হওয়ার কথা বলেছেন। অন্যদিকে 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সব অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা-করেছেন। তিনি নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকের বিপক্ষে সংগ্রাম করে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চান। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার ভাবগত মিল হলো- অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন, শোষণ-নির্যাতন বন্ধ করার জন্য আত্মজাগরণের আহ্বান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভাববস্তুর দিক থেকে "উদ্দীপকে প্রতিফলিত কবির মনোভাব যেন 'বিদ্রোহী' কবিতার ভাবসত্যেরই সংহত রূপ” মন্তব্যটি যথার্থ।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি শোষিত বঞ্চিত অত্যাচারিত মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রামের কথা বলেছেন। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি প্রত্যেক মানুষের মধ্যে বিদ্রোহী সত্তার আত্মজাগরণ ঘটাতে চেয়েছেন। যার ফলে প্রত্যেকে মাথা উঁচু করে আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবে।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সগর্বে নিজের বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটিয়ে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষের শাসকদের শাসনক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছেন। উৎপীড়িত জনতার কান্নার রোল প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত কবির এই বিদ্রোহ চলতেই থাকবে। অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে মানুষের মুক্তি না মেলা পর্যন্ত কবির এই সংগ্রাম চলবে। কবি তাঁর বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশের মধ্য দিয়ে আসলে মানুষকে জাগ্রত করার প্রয়াস পেয়েছেন। উদ্দীপকের কবিতার মূল সুরও একই। এখানে কবি অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করার কথা বলেছেন। যা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে নিজের অধিকার আদায় করে নেওয়ার দিকটি নির্দেশ করে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবার 'বিদ্রোহী' কবিতায় বিভিন্ন ধর্ম, ঐতিহ্য ও পুরাণের বিভিন্ন শক্তির উৎসকে স্মরণ করে কবি বিশ্বব্যাপী সব অন্যায়, অত্যাচার বন্ধ করতে চান এবং এসব থেকে মানুষের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি শান্ত হবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানায়। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”তার চেয়ে পোষমানাকে…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”