| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘তিনটি মৌলের সর্বশেষ…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

তিনটি মৌলের সর্বশেষ ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
A- ns1
E-ns-2
D-ns2 np5
এখানে, n = 3
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
টেলকম পাউডারের প্রধান উপাদান হলো ট্যালক্ (3MgO.4SiO2.H2O)।
অ্যাটম ইকোনমি হলো বিক্রিয়কসমূহকে সম্পূর্ণরূপে উৎপাদে পরিণত করার সক্ষমতা। এটি গ্রিন কেমিস্ট্রির অন্যতম মূল ভিত্তি। এক্ষেত্রে আকাঙ্খা থাকে যে সকল পরিমাণ বিক্রিয়ক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে এবং বিক্রিয়কসমূহের মোট ভর যেন উৎপাদসমূহের মোট ভরের সমান হয়। ফলে বিক্রিয়কসমূহের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস পাবে এবং সে সংক্রান্ত ব্যয়ও কমে যাবে।
কোনো বিক্রিয়ার অ্যাটম ইকোনমিকে নিম্নোক্তভাবে প্রকাশ করা যায়-
প্রশ্নানুসারে A ও E মৌলের সর্বশেষ ইলেকট্রন বিন্যাস হলো- 3s1 এবং 3s2। সুতরাং মৌল দুটি হলো যথাক্রমে সোডিয়াম (Na) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg)।
যেহেতু E মৌলটির শেষ কক্ষপথে ২টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। তাই মৌলটি অতি সহজে শেষ কক্ষপথের দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে দ্বি- ধনাত্মক আয়ন গঠন করতে পারে।
অপরদিকে A মৌলের বা সোডিয়ামের শেষ কক্ষপথে একটি ইলেকট্রন বিদ্যমান। তাই A মৌলটি একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে একক ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
এই Na+ আয়নের সর্বশেষ কক্ষপথে আর কোনো অপসারণযোগ্য ইলেকট্রন নেই। এছাড়াও Na+ আয়নের সর্বশেষ কক্ষপথের পূর্ববর্তী কক্ষপথ ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকায় তা একটি স্থিতিশীল কাঠামো গঠন করে ফলে ইলেকট্রন ত্যাগ করা সম্ভব হয় না। তাই Na+ আয়নের পক্ষে দ্বি-ধনাত্মক আয়ন গঠন সম্ভব নয়।
সুতরাং, উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে E মৌলের বা ম্যাগনেসিয়ামের বহিঃস্থ কক্ষপথে কেবলমাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকায় এর দ্বি-ধনাত্মক আয়ন গঠনের সম্ভাবনা থাকলেও A মৌলের বা সোডিয়ামের সেই সম্ভাবনা নেই।
প্রশ্নানুসারে A ও D হলো যথাক্রমে Na ও Cl। সুতরাং A ও D দ্বারা গঠিত আয়নিক যৌগ হলো NaCl।
পানির অণুতে বিদ্যমান অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মধ্যকার ইলেকট্রন যুগল অক্সিজেন পরমাণুর দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়। কেননা অক্সিজেনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক। তাই পানির অণুর হাইড্রোজেন প্রান্তে আংশিক ধনাত্মক চার্জের এবং অক্সিজেন প্রান্তে আংশিক ঋণাত্মক চার্জের সৃষ্টি হয়।
আয়নিক NaCl যৌগের Na প্রান্ত পানির ঋণাত্মক প্রান্ত দ্বারা এবং Cl প্রান্ত পানির ধনাত্মক প্রান্ত দ্বারা আকর্ষিত হয় এবং দ্রবীভূত হয়।
এভাবেই উৎপন্ন যৌগ আয়নিক এবং এর বিপরীত আয়ন বিশিষ্ট প্রান্ত থাকায় তা পোলার পানির অনুরূপ বিপরীত প্রান্তকে আকর্ষণ করে চারদিক থেকে ঘিরে রাখে। ফলে উল্লেখিত আয়নিক যৌগ NaCl পোলার পানিতে দ্রবণীয়।