A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘তিতলী দশম শ্রেণির…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

তিতলী দশম শ্রেণির ছাত্রী। সে লেখাপড়ায় খুব ভালো। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সে অন্যান্য বইও পড়ে। সপ্তাহে একদিন হলেও পাবলিক লাইব্রেরিতে তার যাওয়া চা-ই চাই। তার দরিদ্র মা এ নিযে খুব শঙ্কায় থাকেন। কারণ তার ধারণা স্কুলের বই বাদে অন্য বই পড়লে তিতলী পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। ফলাফল ভালো করতে না পারলে ভবিষ্যতে ভালো একটা চাকরিও সে পাবে না। ফলে ঘুচবে না তাদের দরিদ্রতা। 

উত্তর:

শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হলো- সাহিত্যচর্চা।

উত্তর:

লাইব্রেরিতে মানুষ স্বেচ্ছায় স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায় বলে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় এবং প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির অবদানের কথা বলেছেন। তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। কারণ লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়ে মনের অসুস্থতা দূর করা যায়। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ প্রকৃত শিক্ষা অর্জনে ব্যর্থ হয়। অথচ মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে খুব সহজেই নিজের পছন্দ অনুসারে বই নির্বাচন করে পড়তে পারে। তাতে তার মনের বিকাশ সাধিত হয়। সেই সঙ্গে আনন্দলাভের মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়। এসব কারণে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। 

উত্তর:

উদ্দীপকের তিতলীর মায়ের ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক বা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে।

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য মনুষ্যত্ববোধের জাগরণ। সেই জাগরণ না ঘটলে সেটাকে প্রকৃত শিক্ষা বলা যায় না। বই পড়ার মাধ্যমে স্বচ্ছন্দচিত্তে সেই শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।

উদ্দীপকের তিতলী পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পাঠ করায় তার মা মনে করেন তিতলী পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়লেই ভালো ফল লাভকরবে এবং ভালো চাকরি পাবে। মায়ের এ ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রতিফলিত শিক্ষার ফল লাভ বা নগদ বাজারদরের বিষয়টিকে নির্দেশ করে। এর কারণ বেশিরভাগ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারে না। উদ্দীপকের মায়ের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। তিনি স্বচ্ছন্দচিত্তে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাই স্কুলের সিলেবাসভুক্ত বই পড়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা মানুষের প্রকৃত শিক্ষা ও মনুষ্যত্বের জাগরণের অন্তরায়। এভাবে তিতলীর মায়ের ধারণা আলোচ্য প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে। 

উত্তর:

তিতলীর মতো শিক্ষার্থীরাই প্রগতিশীল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। 'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে মন্তব্যটি যথার্থ।

বই পড়ে এবং ভ্রমণ করে মানুষ জ্ঞান অর্জন করে থাকে। এর মধ্যে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। বই হলো জ্ঞানের সমুদ্র। পৃথিবীর সব দেশে যাওয়া কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। বই পড়ে সেসব দেশ সম্পর্কে সহজে জানা যায়। বই পড়ার মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করা যায়, স্বশিক্ষিত হওয়া যায়।

উদ্দীপকের তিতলী পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়ে। সে লাইব্রেরিতে যায় বিভিন্ন বই পড়ে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে; তা না হলে প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন বিভিন্নমুখী জ্ঞান অর্জন। সেই বিবেচনায় তিতলির বই পড়ার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। 'বই পড়া' প্রবন্ধেও লেখক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একজন মানুষ শিক্ষিত হয়ে ওঠে স্বশিক্ষার মাধ্যমে, আর স্বশিক্ষার অন্যতম বিষয় হলো বই পড়া। এই পড়ার মাধ্যমেই অর্জিত হয় প্রকৃত শিক্ষা। এ ক্ষেত্রে লাইব্রেরির গুরুত্ব অনেক বেশি। লেখকের মতে মনের প্রসারতার জন্য এবং যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়তে হবে। স্বেচ্ছায় বই পড়ার মাধ্যমেই যথার্থ শিক্ষিত হয়ে ওঠা সম্ভব।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বইয়ের সংস্পর্শে এসে মানুষের মন সজীব, সতেজ ও সরাগ হয়ে ওঠার কথা বলেছেন। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ অজানাকে জানার সুযোগ পায়, যা উদ্দীপকের তিতলীর কর্মকান্ডের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। এই বিচারে তার মতো শিক্ষার্থীরাই প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।  

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘তিতলী দশম শ্রেণির…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”